সামর্থ্য হলে এলাকার মানুষকে কাদায় হাঁটতে দেবো না: সুমন

ছবি: সংগৃহীত
CPLUSTV
CTG NEWS
CPLUSTV
শেয়ার করুন

সিপ্লাস ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন বলেছেন, আমি কথা দিচ্ছি যদি সুযোগ ও সামর্থ্য হয় তাহলে এলাকার কোনো মানুষকে কাদায় পা ফেলতে (হাঁটতে) দেবো না।

শনিবার (১ অক্টোবর) নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে লাইভে এলাকার একটি রাস্তা মেরামত করার সময় এ কথা বলেন ব্যারিস্টার সুমন।

তিনি বলেন, নিজের সামর্থ্য হলে এ কাজগুলো করে দিতে চাই। দেখছেন ২৬ বছর ধরে এ অবস্থা। জুতা খুলে যাওয়া লাগতো। বর্ষার সময় অনেক কষ্ট হয়। দুঃখের বিষয় আরো অনেক আগেই রাস্তাটি হতে পারতো। প্রধানমন্ত্রী পদ্মা ব্রিজ করেছেন। আমাদের অনেক নেতা শপথ নিয়ে মানুষের জন্য কাজ করে না। মাত্র আধা কিলোমিটার রাস্তা মেরামতে ২৬ বছর সময় লেগে যাওয়ায় বিস্ময় প্রকাশ করেন সুমন।

ব্যারিস্টার সুমন বলেন, নিজের এলাকার জন্য কাজ করা কী যে আনন্দ সেটি আপনাদের বলে বুঝাতে পারবো না। আমি কথা দিয়েছি, জীবনে যদি কোনোদিন সুযোগ হয় এলাকার কোনো মানুষকে কাদায় পা ফেলতে দেবো না। আমি যখনই বাড়ি আসি, তখন কোনো না কোনো কাজ করার চেষ্টা করি।

এ সমাজসেবক বলেন, ৫৫০ ফুট (প্রায় আধা মাইল) রাস্তা, আমার যদি সামর্থ্য হয় আমি এ রাস্তা কমপ্লিট করে ফেলবো। এতদিন নানা সমস্যার কারণে রাস্তাটির সমস্যার সমাধান করতে পারিনি। নিজের এলাকার জন্য এ কাজটি করতে চাই।

আশাবাদ ব্যক্ত করে সুমন বলেন, আমার মতো করে যদি প্রত্যেক এলাকার লোক তাদের এলাকার জন্য কাজ করতে দাঁড়িয়ে যায়, তাহলে কোনো জনপদই অবহেলায় পড়ে থাকবে না।

পরে ব্যারিস্টার সুমন রাস্তার ভুক্তভোগী এক মুরব্বিকে জিজ্ঞাসা করেন, কতদিন হলো আপনারা এ রকম কষ্ট করছেন? উত্তরে ওই মুরব্বি বলেন, আমরা দীর্ঘ ২৬ বছর ধরে রাস্তার জন্য কষ্ট করছি। তখন ব্যারিস্টার সুমন বলেন, এ আমার এলাকা হবিগঞ্জের এ রাস্তাটি অনেক আগেই মেরামত করা যেতো। কারণ আমরা এখানে অনেক এমপি-মন্ত্রী পেয়েছি। কিন্তু কেউই এ রাস্তাটি মেরামত করে দেননি। এ রাস্তা দিয়ে হাঁটতে হয় জুতা খুলে।

সুমন বলেন, প্রধানমন্ত্রী যেখানে পদ্মা সেতু নির্মাণ করতে পারেন, সেখানকার এমপি-মন্ত্রীরা চাইলে এরকম ছোট্ট একটি রাস্তার কাজ মেরামত করতে পারতেন সহজেই। কিন্তু করেননি। নেতা হয়ে আমরা যারা শপথ নেই, তাদের কাছে প্রশ্ন শপথ রক্ষা করতে পারি কি না।

আইনজীবী বলেন, নতুন প্রজন্ম কী চায় তা অনেকেই বুঝতে পারেন না। আমি চাই যতদিন বেঁচে থাকবো ততদিন যেন মানুষের জন্য কাজ করে যেতে পারি।