চট্টগ্রামে শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে কোরবানি পশুর হাট

ছবি: সংগৃহীত
CPLUSTV
CTG NEWS
CPLUSTV
শেয়ার করুন

নিজস্ব প্রতিবেদক: নগরের ইলিয়াছ ব্রাদার্স মাঠে নুর নগর হাউজিং সোসাইটির গরু-ছাগলের বাজারে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রচুর গরু উঠেছে। কোরবানির ঈদের বাকি আর মাত্র একদিন, তাই ক্রেতা সমাগমে সরগরম হয়ে উঠেছে পুরো এলাকা।

চলছে হাঁকডাক, দরদাম। নতুন ট্রেন্ড হিসেবে যোগ হয়েছে সেলফি উৎসব। বড় গরুর আশপাশে ভিড় বেশি হলেও কেনার ক্ষেত্রে চাহিদা বেশি ছোট ও মাঝারি গরুর। গরুর দাম বৃদ্ধির জন্য বন্যা, গো-খাদ্য ও নিত্যপণ্যের মূল্য বৃদ্ধিকেই দায়ী করছেন বিক্রেতা ও হাট ইজারাদাররা।

শুক্রবার (৮ জুলাই) সকালে বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ছোট-মাঝারি ও বড় আকৃতির বাহারি গরু এসেছে। সাপ্তাহিক ছুটির দিন হওয়ায় দুপুরের আগেই গরুতে কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে গেছে হাট। পশুর হাটগুলো ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা, নির্বিঘ্নে যাতায়াত ব্যবস্থা, জাল নোট শনাক্তকরণ মেশিন বসিয়েছে পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট বাজার কর্তৃপক্ষ।

বাজার আসা একাধিক ক্রেতার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গরুর দাম বাড়তি। তবুও কোরবানির জন্য কয়েকটি বাজার ঘুরে পছন্দের গরু কিনতে হবে। গত কয়েকদিন একাধিক বাজারে গরু দাম জানা হয়েছে। ঈদ ঘনিয়ে আসায় আজই (শুক্রবার) কিনতে হবে গরু।

গরু নিয়ে বাজারে আসা চন্দনাইশের মো.হাসান গণমাধ্যমকে বলেন, গত কয়েকদিন গরুর দাম জানতে চেয়েছেন ক্রেতারা। কিন্তু আজ দর করছেন। কয়েকটি বিক্রি হয়েছে। আশা করি আমাদের সব গরু বিক্রি হয়ে যাবে।

নাহার এগ্রো ফার্মের পরিচালক মো.হাসান গণমাধ্যমকে বলেন, আমাদের ফার্মের সব গরু বাজারে নিয়ে আসা হয়েছে। নগরের বাসিন্দরা আজ গরু কিনবেন। গরু রাখার জায়গা না থাকায় আগে গরু কিনতে চায় না অনেকে। বাজারে গরুর দাম গত বছরের তুলনায় বেশি। জিনিসপত্রের দামের কারণে গরুর দাম বেড়েছে। আমাদের বিক্রি সন্তুষ্টিজনক।

কালুরঘাট থেকে গরু কিনতে আসা ইবনে আল আমিন হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, গত কয়েকদিন বিভিন্ন বাজারে গরু দেখেছি। গতরাতে একটি গরু পছন্দ হয়েছিল। টাকা কম থাকার কারণে ও পরিবারের ছোট সদস্যদের দেখানোর জন্য গরুটি নেওয়া হয়নি। আজ গরুটি কিনলাম ১ লাখ ৮০ হাজার টাকায়।

নুর নগর হাউজিং সোসাইটির গরু-ছাগলের বাজার পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব মো.কামাল গণমাধ্যমকে বলেন, বাজারের হাসিল উঠবে কি-না তা নিয়ে চিন্তায় আছি। আজ ও আগামীকাল গরু বিক্রি হলে হাসিল উঠে যাবে। আজ সকাল থেকে মোটামুটি গরু বিক্রি হচ্ছে।

ওয়ান ব্যাংক লিমিটেড আগ্রাবাদ শাখার কর্মকর্তা সালাউদ্দীন খান গণমাধ্যমকে বলেন, জাল টাকা সন্দেহে গত তিনদিনে ১০ লাখ টাকা আমাদের কাছে নিয়ে আসা হয়। তবে সেগুলো জাল নোট ছিল না।

বিবিরহাট গরুর বাজারে দায়িত্বরত চান্দগাঁও থানার পুলিশ সদস্যরা জানান, বাজারে পর্যাপ্ত পরিমাণে পুলিশের মোতায়েন রয়েছে। এখনো পর্যন্ত বাজারে কোন ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। জাল টাকার বিষয়ে ক্রেতা-বিক্রেতাদের সতর্ক করা হচ্ছে।