শিক্ষকদের হাত ধরেই সোনার মানুষ তৈরি হয় : তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী

“ প্রাথমিক শিক্ষকরা শিশুদের জীবন গড়ার কাঠামো তৈরি করে দেয়

রাঙ্গুনিয়ায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সাথে মতবিনিময় সভায় বক্তব্য দেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এমপি
CPLUSTV
CTG NEWS
CPLUSTV
শেয়ার করুন

রাঙ্গুনিয়া প্রতিনিধি: তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ এমপি বলেছেন, “শিক্ষকরাই হচ্ছেন মানুষ গড়ার কারিগর। প্রাথমিক শিক্ষকদের ভূমিকা অন্য শিক্ষকদের তুলনায় অনেক বেশি। প্রাথমিক শিক্ষকরা শিশুদের জীবন গড়ার কাঠামো তৈরি করে দেয়। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা যে শিক্ষা দিয়েছেন, জীবন গড়ার জন্য স্বপ্ন দেখিয়েছেন, প্রত্যয়ী হওয়ার শিক্ষা দিয়েছেন সেটির কারণেরই পরবর্তীতে মানুষ সফল হয়। শিক্ষকদের হাত ধরেই সোনার মানুষ তৈরি হয়।”

শনিবার (১৯ নভেম্বর) সন্ধ্যায় চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলা অডিটরিয়ামে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সাথে মতবিনিময় সভায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. হিন্দোল বারীর সভাপতিত্বে ও উপজেলা আ.লীগ নেতা জসিম উদ্দিন তালুকদারের সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার আতাউল গনি ওসমানী, উপজেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার সামশুল আলম তালুকদার, থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মাহবুব মিলকী, সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা প্রবীর কুমার চৌধুরী, শিবলু দাশ, শিক্ষক রঞ্জন বড়–য়া, খোরশেদ আলম, মো শাহ্, শংকর দাশ।

ড. হাছান মাহমুদ আরও বলেন ,“ সমস্ত প্রতিবন্ধকতা পার হয়ে জীবনের লক্ষ্যে পৌছে দেয়ার ক্ষেত্রে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভূমিকা অপরিসীম। সেখানে প্রত্যয়ী হওয়ার ক্ষেত্রে, সংগ্রামী হওয়ার ক্ষেত্রে, স্বপ্ন দেখার ক্ষেত্রে শিক্ষকদের ভূমিকাই সবচেয়ে বেশি।

শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী বলেন, “ শিশুদেরকে স্বপ্ন দেখানো শিখাতে হবে। স্বপ্ন দেখানোর পাশাপাশি শিশুরা যাতে সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য প্রচেষ্টাকে যুক্ত করতে পারে সেই শিক্ষা দিতে হবে। সেই সাথে অভিভাবকদেরও যুক্ত করতে হবে। অভিভাবকদের নিয়ে স্কুলে নিয়মিত সমাবেশ করতে হবে।”

বক্তব্যে তিনি নিজেও শিক্ষক উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন,“ আমার নির্বাচনী হলফনামায় পেশা হিসেবে শিক্ষকতা লিখেছি। আমি এখনো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে খন্ডকালীন শিক্ষকতা করি। শিক্ষক হিসেবে পরিচয় দিতে আমি গর্ববোধ করি। কারণ রাজনীতির সাথে শিক্ষকতা সেটি খুব বেশি মানুষই করতে পারে না। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উৎসাহ এবং নির্দেশনায় আমি সেটি করতে পারছি। আমার বাবাও প্রথম জীবনে শিক্ষক ছিলেন এবং পরবর্তীতে আইনজীবি হয়েছেন। আমার সন্তানকেও বলেছি তাঁর দাদার মতো যেনো আইনজীবি হয় এবং তাঁর বাবার মতো যেন শিক্ষক হয়।”

মন্ত্রী বলেন, “ আমি চেষ্টা করেছি গত ১৪টি বছর ধরে মানুষের পাশে থাকার। দলমত নির্বিশেষে এবং এলাকার উন্নয়নে আমি সবসময় সচেষ্ট ছিলাম। আগামী এক বছর পর নির্বাচন। এই নির্বাচনে আপনাদেরও আমি পাশে চাই।