রাঙ্গুনিয়ায় হত্যার দুই বছর পর আলামত উদ্ধার

রাঙ্গুনিয়ায় তপু মালাকার হত্যার দুই বছর পর পুকুর থেকে আলামত উদ্ধার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।
CPLUSTV
CTG NEWS
CPLUSTV
শেয়ার করুন

রাঙ্গুনিয়া প্রতিনিধি: রাঙ্গুনিয়ায় তপু মালাকার হত্যার দুই বছর পর পুকুর থেকে আলামত উদ্ধার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

রোববার (১১ ডিসেম্বর) বিকেলের দিকে উপজেলার পারুয়া ইউনিয়নের ঘটনাস্থল থেকে আলামত উদ্ধার করা হয়। হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটনে স্থানীয়দের সাথে কথাও বলেছেন পিবিআই।

পিবিআই সূত্রে জানা যায়, উপজেলার পারুয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা তপু মালাকারের লাশ নিখোঁজের তিনদিন পর স্থানীয় একটি পুকুর থেকে ২০২১ সালের ৫ জানুয়ারি  উদ্ধার করা হয়েছিল। লাশ উদ্ধারের বিষয়টি দূর্ঘটনা মনে করে প্রথমে অপমৃত্যু মামলা রেকর্ড করে পুলিশ। কিন্তু তিন মাস পর ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেয়ে পুলিশ নিশ্চিত হয়, তপুকে হত্যা করা হয়েছে।

পরে মামলাটি তদন্তভার ডিবি’র কাছেও যায়। কিন্তু দীর্ঘদিন পেরিয়ে গেলেও হত্যার রহস্য উদঘাটন না হওয়ায় সর্বশেষ দুই মাস আগে মামলাটির তদন্তভার নেয় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। তদন্তভার নেয়ার পর কিছুদিনের মধ্যেই এ হত্যার ৩ আসামিকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় তারা। এই তিনজনের মধ্যে দুইজন সরাসরি জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে।

গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা হলো- বসু কুমার (৩৩), সুবল মালাকার (২৭), বাপ্পা চৌধুরী (৩২)।

জানতে চাইলে, পিবিআই চট্টগ্রাম জেলার পরিদর্শক সিরাজুল ইসলাম বলেন, ” প্রায় দুই মাস আগে আদালতের নির্দেশে এ মামলার তদন্তভার পাই আমরা।তদন্তভার পাওয়ার পর আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করি। পাশাপাশি আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে আমরা তিনজন আসামিকে গ্রেপ্তার করি। তাদের মধ্যে ১ জনকে ফটিকছড়ি, একজনকে রাঙ্গুনিয়া ও অন্যজনকে সিলেটের মৌলভীবাজার থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তীতে আমরা তাদের রিমান্ডে নিয়ে গেলে তাদের মধ্যে দুইজন ঘটনাটি স্বীকার করে। তাদের মধ্যে একজনকে নিয়ে আজ আমরা ঘটনাস্থলে আসি। তারা স্বীকার করেছে তপু মালাকারকে তারা নৃশংসভাবে হত্যা করে মৃতদেহটি পুকুর পাড়ে গাছের নিচে রেখেছিল।আসামিদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী তারা একটা কাঠের বাটাম দিয়ে তপু মালাকারের মাথায় আঘাত করে হত্যা করে গাছের বাটামটি পুকুরে ফেলে দেয়। আর যে বাটামটি দিয়ে মারা হয় সেটি একটি গুরুত্বপূর্ণ আলামত আর তা সংগ্রহ করার জন্য আমরা পিবিআই জেলা টিম এখানে এসেছি এবং পুকুর সেচ দিয়ে বিকেলের দিকে আসামির দেয়া তথ্য অনুযায়ী আলামতটিও পেতে সক্ষম হয়েছি। মাদক ব্যবসাকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে টাকার লেনদেনের ব্যাপার ঘটে আর সেটাকেই কেন্দ্র করে সে হত্যাকাণ্ডটি সংঘটিত হয়।