রাঙ্গুনিয়ায় চার দিনব্যাপী রাস মহোৎসব শুরু, হাজারো ভক্তের ঢল

রাঙ্গুনিয়ায় রাস মহোৎসবে উদ্বোধক হিসেবে বক্তব্য দেন সাবেক জেলা ও দায়রা জজ নির্মল কান্তি চৌধুরী।
CPLUSTV
CTG NEWS
CPLUSTV
শেয়ার করুন

রাঙ্গুনিয়া প্রতিনিধি: রাঙ্গুনিয়া চার দিনব্যাপী ঐতিহ্যবাহী রাস মহোৎসব সোমবার (৭ নভেম্বর) থেকে শুরু হয়েছে। উপজেলার স্বনির্ভর রাঙ্গুনিয়া ইউনিয়নের উত্তর সাবেক রাঙ্গুনিয়া দীঘির পাড় এলাকায় রাস বিহারী ধাম প্রাঙ্গণে ৪০তম এই আয়োজন করা হয়েছে। উৎসবের প্রথম দিন ধর্মীয় মহাসম্মেলন ও সংগীতাঞ্জলি অনুষ্ঠিত হয়।

রাতে আয়োজিত ধর্মীয় মহাসম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন উৎসব উদযাপন পরিষদের সভাপতি স্বপন সেন। প্রধান ধর্মীয় আলোচক ছিলেন উত্তরবঙ্গ বৈষ্ণব সংঘের সম্পাদক চৈতন্য দাস। ধর্মীয় সম্মেলনের উদ্বোধক ছিলেন সাবেক জেলা ও দায়রা জজ নির্মল কান্তি চৌধুরী।

শুরুতে মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্জলন করেন ঢাকা সিগনাল কর্পোরেশনের সিইও দীপেন সাহা। প্রধান অতিথি ছিলেন অদুল অনিতা ট্রাস্টের চেয়ারম্যান অদুল কান্তি চৌধুরী। প্রধান বক্তা ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক কুশল বরণ চক্রবর্তী।

স্বাগত বক্তব্য দেন উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সুবিমল বিশ্বাস। বিশেষ অতিথি ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রাণালয় চট্টগ্রাম মহানগর কার্যালয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত উপসচিব হিল্লোল বিশ্বাস, স্বনির্ভর রাঙ্গুনিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মো. নূর উল্লাহ, রাজনৈতিক আকতার হোসেন চৌধুরী, সনাতনী সম্প্রদায়ী নেতা অধ্যাপক ডা. সুকুমার নন্দী, অধ্যাপক স্বদেশ চক্রবর্তী, অধ্যাপক অসীম কুমার শীল, সাধন দত্ত, গোপাল চন্দ্র চৌধুরী, অজিত কুমার চৌধুরী, শেখর বিশ্বাস, টিটু সেন, বিজয় সেন, রমেন্দ্র লাল, উত্তম কুমার চক্রবর্তী, সেবুব্রত রায় চৌধুরী, বটন কান্তি দে, সুজন মজুমদার, শম্ভু কান্তি বিশ্বাস প্রমুখ। সঞ্চালনা করেন শিক্ষক চন্দন দত্ত ও বিমল চন্দ্র দে আকাশ।

এর আগে বিকেল ৩ টা হতে সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ঝুলন দত্তের পরিচালনায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

আগামী বৃহস্পতিবার পর্যন্ত চারদিনব্যাপী এই আয়োজনে লীলা প্রদর্শনী, ষোড়শ প্রহরব্যাপী মহানামযজ্ঞ, তারকব্রহ্ম মহানাম সংকীর্তনসহ নানা ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। এদিকে রাস মহোৎসব উপলক্ষে কয়েক হাজার সনাতনী সম্প্রদায়ী জনসাধারণের ঢল নামে উৎসব প্রাঙ্গণে।

তাদের জন্য প্রতিদিন আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে খাবার পরিবেশন করা হচ্ছে। নানা পসরা সাজিয়ে বসা দোকানেও সনাতনী সম্প্রদায়ের শিশুকিশোরদের আনাগোনায় উৎসব যেনো বৃহৎ মেলায় রূপ নিয়েছে।