যুবলীগের সমস্ত নেতা কর্মীদের ডাটা পাওয়া যাবে ওয়েবসাইটে: প্রধানমন্ত্রী

যুব মহাসমাবেশে যুবলীগের ওয়েবসাইট ও অ্যাপস উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।
CPLUSTV
CTG NEWS
CPLUSTV
শেয়ার করুন

নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে যুবলীগের ওয়েবসাইট ও মোবাইল অ্যাপ উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সময় তিনি যুবলীগের তথ্যপ্রযুক্তির সংযোজন দেখে প্রশংসা করেন। পর্যায়ক্রমে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও সব অঙ্গ সংগঠনের জন্য অ্যাপস তৈরির নির্দেশ দেন তিনি।

সারাদেশে যুবলীগের সমস্ত নেতা কর্মীদের সব ডাটা পাওয়া যাবে সদ্য প্রস্তুতকৃত ওয়েবসাইট ও এপসে।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী যুবলীগে তথ্য প্রযুক্তির সংযোজন দেখে প্রশংসা করেন। তিনি পর্যায়ক্রমে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও সকল অঙ্গ সংগঠনের জন্য এ্যাপস তৈরির নির্দেশ দেন। এটি দলকে ডিজিটাল করার বড় সুযোগ বলে মনে করেন তিনি।

আজ শুক্রবার (১১ নভেম্বর) রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে যুবলীগের সমাবেশে উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মঞ্চে ওয়েবসাইট ও মোবাইল এ্যাপস সম্পর্কে অবহিত করেন বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক শামসুল আলম খান অনিক, উপ তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক এন আই আহমেদ সৈকত, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য নিয়াজ মোর্শেদ এলিট।

উদ্বোধনের সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মঞ্চে বলেন, ‘বর্তমান সরকারের আমলে সকল সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ইন্টারনেট ব্যবহারের মাধ্যমে সারা পৃথিবীর সাথে যুক্ত রয়েছে। গ্রাম থেকে বসে পৃথিবীর যে কোন স্থানে যোগাযোগ করতো পারছে। এটা সম্ভব হয়েছে সজিব ওয়াজেদ জয় এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ১৪ বছর ক্ষমতায় থাকার কারনে। আজ যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান এর নেতৃত্বে  যুবলীগের অনিক, এলিট এবং সৈকত যুবলীগকে তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে বিশ্বের সাথে সংযুক্ত করেছে। আমি এ উদ্যোগের জন্য তাদের ধন্যবাদ দিচ্ছি।’

‘বর্তমান সরকারের আমলে সব সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ইন্টারনেট ব্যবহারের মাধ্যমে সারা পৃথিবীর সঙ্গে যুক্ত রয়েছে।

অ্যাপস ও ওয়েবসাইট প্রসঙ্গে নির্মাণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত নিয়াজ মোর্শেদ এলিট বলেন, ‘প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে যুবলীগের কেন্দ্রীয় ওয়েবসাইট ও মোবাইল এ্যাপস সংগঠনের সারাদেশের কর্মকাণ্ড, সংগঠনের জনশক্তি, তৃনমুলের সাথে কেন্দ্রের যোগাযোগ, কর্মীদের ডাকা সংরক্ষণ করা হবে। এছাড়া কেন্দ্রীয় সভাপতি সাধারণ সম্পাদক এর ভিডিও অডিও বার্তা, নোটিশ, কেন্দ্রীয় কর্মসূচি এবং সারাদেশের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড আপলোড করতে পারবে। সারাদেশের নিবন্ধিত সদস্যদের ডাটা থাকবে। যে কোন কর্মী উপজেলা, জেলা শাখার অনিয়ম স্বেচ্ছাচারিতা বা গঠনতন্ত্র বিরোধী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কেন্দ্রে অভিযোগ দিতে পারবেন। শুধুমাত্র অভিযোগ বক্স সভাপতি নিজে তদারকি করবেন।’

একই প্রসঙ্গে যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ বলেছেন, ‘বিএনপির সময় বাংলাদেশকে বলা হতো ‘ব্রিডিং গ্রাউন্ড অব টেরোরিজম’। সেখান থেকে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশকে এখন বলা হচ্ছে ‘নেক্সট এশিয়ান টাইগার’। উন্নয়নের পুরোটাই নেতৃত্বের দূরদর্শিতার ওপর নির্ভর করে। জননেত্রী শেখ হাসিনার বাংলাদেশ এখন বিশ্ব নেতাদের চোখে উন্নয়নের মডেল।’

এর আগে, জাতীয় সঙ্গীতের মধ্যে দিয়ে সমাবেশ শুরুর পর প্রধানমন্ত্রীকে পেইন্টিং উপহার দেন ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ যুবলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকরা। তারপর যুবলীগের উত্তরীয় পরিয়ে দেন যুবলীগের মহিলা নেত্রীরা। এরপরই সুবর্ণ জয়ন্তী লোগো উন্মোচন করেন প্রধানমন্ত্রী।

এদিকে, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মহাসমাবেশের আয়োজন উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা যুবলীগের হাজার হাজার নেতাকর্মী মিছিল-স্লোগানে মুখরিত করে রেখেছেন উদ্যানের চারপাশ।