মহেশখালীতে শিশু কন্যা ধর্ষণের অভিযোগ ,আটক ১

মঈন উদ্দিন।
CPLUSTV
CTG NEWS
CPLUSTV
শেয়ার করুন

মহেশখালী প্রতিনিধি: মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ী মগড়েইল গ্রামে এক বসতবাড়িতে  বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টার সময় সংগঠিত শিশু কন্যা ধর্ষণের ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় চলছে নানা ধরণের আলোচনা ও সমালোচনা। এ ঘটনায় পুলিশ অভিযুক্ত আসকর আলীর পুত্র মঈন উদ্দিন নামে একজনকে আটক করে কারাগারে পাটিয়েছে। এ ঘটনায় দুই পক্ষের পরস্পর বিরুদ্ধী বক্তব্য পাওয়া গেছে।

অপরদিকে ভিকটিমের পরিবার ধর্ষণের ঘটনা বললেও অভিযুক্ত পরিবার ও প্রতিবেশিরা নাটক বলে দাবী করছেন।

শনিবার (১৪ জানুয়ারী) সকালে সরেজমিনে খোঁজ খবর নিতে গিয়ে উপরোক্ত তথ্যটি উঠে আসে।

জানা গেছে,মাতারবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর ছাত্র সাজ্জাদ হোছাইন জানান, তার চাচা মনির তার সহকর্মী মোহাম্মদ শহিদ, রফিক, রাসেল, আফজল ও হৃদয়সহ ৮/৯ জন কিশোর মিলে আন্তঃহাউজ ক্রিকেট টুর্ণামেন্ট পরিচালনার জন্য গত ১২ জানুয়ারী বিকেল ৩ টার দিকে পার্শ্ববর্তী লবণ মাঠের পরিত্যক্ত জমিতে খেলা উপযোগীর মাঠ তৈরী করতে যান। সেখান সন্ধ্যা ৬ টায় বাড়ীতে ফিরে আসে। পরদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে লোকেমূখে শোনতে পান ওইদিন বিকাল সাড়ে ৫টায় ৪বছর ৪মাসের এক শিশু কন্যাকে ধর্ষণের দায়ে মনিরকে পুলিশ রাত্রে নিয়ে গেছে। অভিযুক্ত মনিরের সাথে থাকা সাজ্জাদসহ সহপাঠিরা জানান, ক্রিকেট টুর্ণামেন্টের মাঠ তৈরির কাজ সম্পন্ন করার প্রাক্কলে কিভাবে মনির উদ্দিন প্রকাশ মঈন উদ্দিন একই এলাকার ফয়জুল করিমের শিশু কন্যা সাবিনা ধর্ষণের আসামী হলো। তা নিয়ে এলাকায় চলছে নানা ধরণের কানাঘুষা।

এদিকে সরেজমিনে দেখা যায়, সাবিনা সুলতান নিশাতকে যে ঘরে ধর্ষণের অভিযোগ আনা হয়েছে, ঐ ঘরের লাগোয়া দাদার বসত বাড়ীসহ ঘনবসতি এবং ঐ দরজার সামনে ছোটবড় নারী-পুরুষের আড্ডাখানা। কিন্তু অপরদিকে ভিকটিমের বড় বোনের ভাষ্য এধরণের কাজের বিচার হওয়া আবশ্যক। এবিষয়ে ভিকটিমের মা বাদী হয়ে মহেশখালী একটি লিখিত এজাহার দায়ের করেছেন।

স্থানীয় অনেকে দাবী করেন, ইতিপূর্বেও ভিকটিমের বড়বোন নিয়ে পার্শ্ববর্তী এক ছেলের সাথে এধরণের ঘটনা ঘটেছিলো। সমাজে তারা এভাবে অন্যজনের উপর বদনামের অভিযোগ এনে টাকা ইনকামের ফাঁদপাতে বলে দাবী করেন তারা। বিষয়টি সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে আসল ঘটনা উৎঘাটনের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন সচেতন মহল।

মহেশখালী থানা অফিসার ইনচার্জ প্রণব চৌধুরী জানান, এঘটনায় একজন আটক রয়েছে। বিষয়টি তদন্তের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ।