বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের হারাতে বাংলাদেশের লক্ষ্য ১১৮

ছবি: সংগৃহীত
CPLUSTV
CTG NEWS
CPLUSTV
শেয়ার করুন

সিপ্লাস ডেস্ক: ২০ ওভারের ভেতর বল করলেন বাংলাদেশ আট বোলার। বল হাতে নিলেন আফিফ হোসেন, নাজমুল হাসান শান্তর মতো অনিয়মিত বোলাররাও।

সাকিব আল হাসান বুদ্ধিদ্বীপ্ত অধিনায়কত্ব করলেন, করলেন ‘এক্সপেরিমেন্টও’। ডেভিড মালানকে আউট করে তাসকিন আহমেদ শুরু করেছিলেন চাপের, এরপর আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি ইংল্যান্ডের ব্যাটিং। চার উইকেট নিয়েছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। বাংলাদেশের সামনে ইতিহাস গড়ার সহজ হাতছানি।

রোববার (মার্চ ১২) মিরপুরের শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ ও ইংল্যান্ড। প্রথম ম্যাচ জেতা বাংলাদেশের সিরিজ জিততে দরকার ১১৮ রান। টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভার ব্যাট করে সব উইকেট হারিয়ে এই লক্ষ্য দিয়েছে ইংল্যান্ড।

ইংল্যান্ডের স্কোরকার্ডে তখন জমা হয়েছে ১৬ রান, ইনিংসের তৃতীয় ওভারেই প্রথম আঘাত হানেন তাসকিন। তাকে বড় শট হাঁকাতে গিয়ে ডিপ থার্ড ম্যানে হাসান মাহমুদের হাতে ক্যাচ দেন ডেভিড মালান। ৮ বল খেলে এই ব্যাটার করেন ৫ রান। সঙ্গী হারালেও তিনে নামা মঈন আলীকে নিয়ে রানের চাকা সচল রাখেন ফিল সল্ট। ইংলিশদের চাপে ফেলতে তাসকিনকে দিয়ে টানা তিন ওভার করান সাকিব। উইকেটের দেখা না পেলেও ১৯ রান দেন এই পেসার।

সপ্তম ওভারে নিজেই বোলিংয়ে এসে সল্টকে সাজঘরের পথ দেখান সাকিব। বাঁহাতি এই স্পিনারের ফ্লাইটেড ডিলেভারিতে ফিরতি ক্যাচ দিয়ে বসেন ইংলিশ ওপেনার। সাকিব দারুণ ক্যাচ নিলে ১৯ বলে ২৫ রান করে সাজঘরে ফেরেন সল্ট।

এরপর দারুণ এক ইয়র্কারে জস বাটলারের স্টাম্প ভাঙেন হাসান। ৪ রানে বাটলার ফিরে গেলে মেহেদী হাসান মিরাজকে স্লগ সুইপ খেলতে গিয়ে শামীম পাটোয়ারির তালুবন্দি হন মঈন। ৫৭ রানে চার উইকেট হারিয়ে ফেলে ইংল্যান্ড।

এরপর স্যাম কারানের সঙ্গে ৪৪ রানের জুটি গড়েন বেন ডাকেট। তাদের জুটি ভাঙেন মেহেদী হাসান মিরাজ, ১৬ বলে ১২ রান করা কারান হয়েছেন স্টাম্পিং। এক বল পরেই ক্রিস ওকসকে শূন্য রানে স্টাম্পিংয়ের ফাঁদে ফেলেন মিরাজ।

এই স্পিনার ৪ ওভারে কেবল ১২ রান দিয়ে ৪ উইকেট নিয়ে দলের সেরা বোলার। কম খরুচে ছিলেন বাংলাদেশের প্রায় সব বোলারই। তাসকিন আহমেদ নিজের ৪ ওভারে ২৭ রান দিয়ে ১ উইকেট নেন, এক উইকেট নিতে সাকিব ৩ ওভারে দেন ১৩ রান। ১ উইকেট নেওয়া হাসান মাহমুদ ২ ওভারে ১০ রান দেন। মোস্তাফিজুর রহমান ৪ ওভারে ১৯ রান দিয়ে এক উইকেট নেন।