প্রযুক্তি জায়ান্টদের বিরুদ্ধে মামলা

ছবি: সংগৃহীত
CPLUSTV
CTG NEWS
CPLUSTV
শেয়ার করুন

সিপ্লাস ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটানোর দায়ে মামলার মুখে পড়েছে দেশটির বেশ কয়েকটি প্রযুক্তি জায়ান্ট। খবর রয়টার্স।

সিয়াটলের পাবলিক স্কুল ডিস্ট্রিক্টের করা ক্ষতিপূরণ মামলায় বলা হয়, কোম্পানিগুলো পরিচালিত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য সংকটের জন্য দায়ী। এছাড়া ওই এলাকার স্কুলগুলোর শিক্ষা কার্যক্রম সম্পাদন প্রক্রিয়াকে এসব প্রতিষ্ঠান প্রভাবিত করে। যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে করা এ মামলায় গুগলের আলফাবেট, ফেসবুকের মেটা, স্ন্যাপ ও টিকটকের মালিক বাইটড্যান্সকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

সিয়াটল পাবলিক স্কুল ডিস্ট্রিক্ট কর্তৃপক্ষের দাবি, তরুণদের আটকানোর জন্য প্লাটফর্মগুলোকে আলাদাভাবে তৈরি করেছে টেক জায়ান্টরা। যা মানসিক স্বাস্থ্য সংকট তৈরি করছে। মামলায় বলা হয়, এসব কোম্পানির কর্মকাণ্ড যুবসমাজের মানসিক স্বাস্থ্য সংকটের অন্যতম কারণ। অভিযুক্তরা সফলভাবে তরুণদের সরল মস্তিষ্ক শোষণ করছে। কয়েক লাখ শিক্ষার্থীকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো অত্যধিক ব্যবহারে আসক্ত করেছে।

স্কুল কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, মানসিক স্বাস্থ্য সংকটে থাকা শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় ভালো ফল করতে ব্যর্থ হয়। এজন্য স্কুলগুলো এসব সমস্যা মোকাবেলা করতে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দেয়ার পাশাপাশি প্রশিক্ষিত কর্মী নিয়োগ দিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিপদ সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের সতর্ক করছে। এ মামলায় টেক জায়ান্টগুলোর কাছে আর্থিক ক্ষতিপূরণ চাওয়া হয়েছে।

মামলার বিষয়ে এক ইমেইল বার্তায় গুগল জানায়, শিশুদের জন্য নিরাপদ ডিজিটাল প্লাটফর্ম তৈরিতে প্রচুর বিনিয়োগ করেছে প্রতিষ্ঠানটি। স্ন্যাপচ্যাট জানায়, স্ন্যাপ ব্যবহারকারীদের সুস্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানটির অগ্রাধিকারের শীর্ষে। মেটা প্লাটফর্ম ও টিকটক এ ব্যাপারে কোনো মন্তব্য করেনি। অতীতে কোম্পানিগুলো জানিয়েছিল, তাদের লক্ষ্য ব্যবহারকারীদের জন্য একটি সহায়ক প্লাটফর্ম তৈরি করা। ক্ষতিকর বা বিপজ্জনক কনটেন্ট সরানো বা নিয়ন্ত্রণে তারা বিনিয়োগ অব্যাহত রেখেছে।

অন্যদিকে ২০২১ সালে এমন অভিযোগের প্রেক্ষিতে ফেসবুক সিইও মার্ক জাকারবার্গ এক পোস্টে লিখেছিলেন, আমরা কেবল মুনাফা অর্জনের জন্য এমন সব কনটেন্ট প্রচার করি যা মানুষের জন্য ক্ষতিকর, এমন অভিযোগ অযৌক্তিক। আমরা বিজ্ঞাপন দিয়ে অর্থ উপার্জন করি। বিজ্ঞাপনদাতারাও তাদের বিজ্ঞাপনগুলোয় মানুষের জন্য ক্ষতিকারক বা ঘৃণাত্মক কনটেন্ট দেখতে চায় না।