নগর ও দক্ষিণ জেলা আ. লীগের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ

নগর ও দক্ষিণ জেলা আ. লীগের সামনে চ্যালেঞ্জ।
CPLUSTV
CTG NEWS
CPLUSTV
শেয়ার করুন

নিজস্ব প্রতিবেদক: আগামী ৪ ডিসেম্বর নগরীর রেলওয়ে পলোগ্রাউন্ডে প্রধানমন্ত্রীর জনসভাকে কেন্দ্র করে ব্যস্ত সময় পার করছে চট্টগ্রাম মহানগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ। ১২ ডিসেম্বর দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ ও ১৮ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সম্মেলন।

একাধিকবার পেছানোর পর সর্বশেষ নির্ধারিত এ তারিখ পেছানোর আর সুযোগই নেই। কারণ ২৪ ডিসেম্বর বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলন। তবে সম্মেলন নিয়ে মাথাব্যথা নেই চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের। তারা শুধু জনসভা সফল করার লক্ষ্যে কাজ করছে।

একদিকে প্রধানমন্ত্রীর জনসভাকে জনসমুদ্রে রূপান্তর করা, অপরদিকে দুই সাংগঠনিক জেলার সম্মেলন সফল করার চ্যালেঞ্জ। এ দুই চ্যালেঞ্জকে সামনে রেখে কাজ করতে গিয়ে দক্ষিণ জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের ওয়ার্ড ও থানা পর্যায়ের সম্মেলনে কিছুটা স্থবিরতা দেখা দিয়েছে।

দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের চার উপজেলার সম্মেলন হবে ৪ ডিসেম্বরের পরে। জনসভার প্রস্তুতি নিয়ে ব্যস্ততার কারণে গত দুই সপ্তাহ মহানগর আওয়ামী লীগের আওতাধীন বেশ কিছু ওয়ার্ডের সম্মেলনের তেমন অগ্রগতি নেই। তবে আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ বলছেন, একসাথে দুই চ্যালেঞ্জ নেতাকর্মীদের উজ্জীবিত করেছে।

জানতে চাইলে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, ‘একদিকে প্রধানমন্ত্রীর জনসভাকে সফল করার চ্যালেঞ্জ, অপরদিকে সম্মেলন যে কারণে নেতাকর্মীদের মাঝে চাঙাভাব সৃষ্টি হয়েছে। তাছাড়া নির্বাচন এলে আমাদের কর্মীদের মাঝে জাগরণ সৃষ্টি হয়। সম্মেলন ও প্রধানমন্ত্রীর আগমন দুই মিলিয়ে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মাঝে একটি ইতিবাচক প্রেরণা সৃষ্টি হয়েছে। যেসব ওয়ার্ড বাকি আছে তার মধ্যে কিছুর সম্মেলন ৪ তারিখের আগে এবং বাকিগুলো তারপরে হবে।’

তিনি বলেন, ‘আমি আর মাহতাব ভাইয়ের বক্তব্য স্পষ্ট। নেতৃত্বে কে আসবেন না আসবেন তা কাউন্সিলররা নির্ধারণ করবেন। তাদের পছন্দ-অপছন্দের ব্যাপার নেই। তারা চান তৃণমূল পর্যায়ের সম্মেলন হোক। সম্মেলন হলে বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করা নেতাকর্মীরা পদ-পদবী পাবেন। তাতে সংগঠন উজ্জীবিত হবে।’

জানতে চাইলে দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান বলেন, ‘৪ ডিসেম্বরের জনসভাকে সফল করার লক্ষ্যে প্রতিটি উপজেলা এবং ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভা করে প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে। দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের ৪টি থানায় এখনো সম্মেলন হয়নি। বোয়ালখালী, কর্ণফুলী, আনোয়ারা ও বাঁশখালী উপজেলা কমিটি গঠনের লক্ষ্যে ৬, ৮, ৯ ও ১০ ডিসেম্বর সম্মেলনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।’

তিনি আরও জানান, ‘১২ ডিসেম্বর দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনের লক্ষ্যে এখনো উপ-কমিটিও গঠন করা হয়নি। শীঘ্রই বর্ধিত সভা ডেকে উপ-কমিটি গঠন করে সম্মেলনের কাজ শুরু করে দেয়া হবে।’