তামিম-জয়-ইয়াসিরের ব্যাটে খুলনার দ্বিতীয় জয়

ছবি: সংগৃহীত
CPLUSTV
CTG NEWS
CPLUSTV
শেয়ার করুন

সিপ্লাস ডেস্ক: চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের ছুড়ে দেওয়া ১৫৮ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে শূন্যরানেই উইকেট হারায় খুলনা টাইগার্স। শুভাগত হোমের বলে কট অ্যান্ড বোল্ড হয়ে যান মুনিম শাহরিয়ার (০)।

এরপর তামিম ইকবাল ও মাহমুদুল হাসান জয় ১০৪ রানের জুটি গড়ে দলের জয়ের ভিত গড়ে দিয়ে যান। আর অধিনায়ক ইয়াসীর আলী দারুণ খেলে ম্যাচ শেষ করে আসেন। তাতে ১৯.২ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় খুলনা। যা টানা তিন হারের পর পঞ্চম ম্যাচে এসে পাওয়া তাদের দ্বিতীয় জয়। অন্যদিকে ষষ্ঠ ম্যাচে এটি চট্টগ্রামের চতুর্থ হার।

দলীয় ১০৪ রানের মাথায় তামিম ইকবাল ৩৭ বলে ৪টি চার ও ১ ছক্কায় ৪৪ রান করে নিহাদুজ্জামানের বলে আফিফ হোসেনের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। যাওয়ার আগে প্রথম বাংলাদেশি ক্রিকেটার হিসেবে স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে ৭ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করে যান। সব মিলিয়ে টি-টোয়েন্টিতে ৪০তম ব‌্যাটসম‌্যান হিসেবে ৭ হাজার রান ছুঁয়েছেন তামিম। ২৪৩ ইনিংস খেলে তামিম এই মাইলফলকে পৌঁছেছেন। দ্রুততম হিসেবে আছেন নবম স্থানে।

১০৯ রানের মাথায় জয়ও আউট হন। ৪৪ বলে ৫টি চার ও ১ ছক্কায় ৫৯ রানের ইনিংস খেলে নিহাদুজ্জামানের বলে বোল্ড হন তিনি। সেখান থেকে আজম খান ও ইয়াসির আলী দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন। ইয়াসির মাত্র ১৭ বলে ২টি চার ও ৪ ছক্কায় অপরাজিত ৩৬ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন। আর আজম ২ চারে ১৬ বলে করেন অপরাজিত ১৫ রান।

তার আগে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৫৭ রান তোলে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। ৬ রানেই ম্যাক্স ও’দৌদের উইকেট হারানোর পর ৭০ রানের জুটি গড়েন উসমান খান ও আফিফ হোসেন। ৭৮ রানের মাথায় আমাদ বাট ভাঙেন এই জুটি উসমানকে ফিরিয়ে। উসমান ৩১ বলে ৭টি চার ও ১ ছক্কায় ৪৫ রান করে যান। ১১১ রানের মাথায় বিপজ্জনক হয়ে ওঠা আফিফ হোসেনকে ফেরান ওয়াহাব রিয়াজ।

সেখান থেকে ১৫৩ রান পর্যন্ত যেতে চট্টগ্রাম হারায় আরও ৬টি উইকেট। ১৫৩ রানের মাথায় নিহাদুজ্জামানকে রান আউট করার আগে একই রানে শুভাগত হোমকে আউট করেন ওয়াহাব রিয়াজ। এর মধ্য দিয়ে স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে ৪০০ উইকেট শিকারের মাইলফলক স্পর্শ করেন তিনি। ষষ্ঠ বোলার হিসেবে চার‘শ বা তার বেশি উইকেট শিকারের কীর্তি গড়েন তিনি। আর ডোয়াইন ব্রাভোর পর দ্বিতীয় বোলার হিসেবে দ্রুততম ৪০০ উইকেট শিকার করেন পাকিস্তানের এই পেসার।

এদিন ৪ ওভারে ৩৬ রান দিয়ে ৪ উইকেট নেন ওয়াহাব। ২টি উইকেট নেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। ম্যাচসেরা হন খুলনার মাহমুদুল হাসান জয়।

এই জয়ে ৫ ম্যাচ থেকে ৪ পয়েন্ট সংগ্রহ করে পয়েন্ট টেবিলের চতুর্থ স্থানে উঠে এসেছে খুলনা টাইগার্স। অন্যদিকে ৬ ম্যাচ থেকে ৪ পয়েন্ট নিয়ে ষষ্ঠস্থানে নেমে গেছে চট্টগ্রাম।