অসহনীয় কাঁচা মরিচের বাজার, খুচরায় কেজি ২৪০

ছবি: সংগৃহীত
CPLUSTV
CTG NEWS
CPLUSTV
শেয়ার করুন

সিপ্লাস ডেস্ক: কাঁচা মরিচের বাজার অস্থির। দামে নেই কোনো নিয়ন্ত্রণ। এক মাসের ব্যবধানে ১১০ দশমিক ৫৩ শতাংশ বেড়েছে দাম। এতেই বুঝা যায়, দামে কাঁচা মরিচের ঝাল কতটুকু বেড়েছে।

বৃহস্পতিবার (৪ আগস্ট) রাজধানীর কারওয়ান বাজারে পাইকারি প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ ১৮০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা যায়। তবে কয়েকটি খুচরা বাজারে কাঁচা মরিচ ২২০-২৪০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। ফলে ক্রেতারাও মরিচ কেনায় হাত গুটিয়ে এনেছেন। বেশিরভাগ ক্রেতাই আড়াইশো গ্রাম মরিচ কিনছেন। যার দাম ৬০ টাকা।

রাজধানীর পণ্যের দরের হিসেব রাখে কৃষি বিপণন অধিদপ্তর। সংস্থাটি বলছে, গত মাসে একই দিনে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ বিক্রি হয়েছিল ৯০-১০০ টাকায়। যদিও গত বছর একই সময় কাঁচা মরিচের দাম সেই তুলনায় বেশি ছিল, ১২০-১৫০ টাকা। অর্থাৎ বছর ব্যবধানে এখন দাম বেড়েছে ৪৮ শতাংশ।

বর্তমানে বাজারে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচের দাম বাজারভেদে ১৮০-২২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে বলে জানায় কৃষি বিপণন অধিদপ্তর।

 

কারওয়ান বাজারের পাইকারি বিক্রেতা এনামুল হক বলেন, বুধবার রাতে ভারত থেকে কয়েক ট্রাক মরিচ আসায় দাম কিছুটা কমেছে। আবার যদি কাল কম আসে তাহলে বেড়ে যাবে। কাঁচাপণ্যের কোনো ঠিক নেই।

তিনি বলেন, বর্ষার সময় প্রতি বছরই মরিচের দাম হুটহাট বাড়ে। সেটা বৃষ্টি আর ভারতের আমদানির ওপর নির্ভর করে। বৃষ্টি বেশি হলে মরিচে পচন ধরে নষ্ট হয়।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, কোরবানির ঈদের আগে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচের দাম ছিল ৬০-৮০ টাকা। ঈদের পর থেকে কিছুটা বেড়ে ১০০ পর্যন্ত ওঠে। এরপর গত এক সপ্তাহ আগে দাম ছিল ১৪০-১৫০ টাকার মধ্যে। শেষ তিনদিনের ব্যবধানে এখন দাম অস্বাভাবিক হয়েছে।

 

বাছেত মোল্লা নামের এক ব্যবসায়ী বলেন, বৃষ্টিতে মরিচের দাম বাড়ে। তবে সেই তুলনায় এবার বৃষ্টি হয়নি। তারপরও বেড়েছে দাম। গ্রামগঞ্জের আড়তে দাম বেশি। ভারত থেকেও চড়া দামে মরিচ আসছে।

এদিকে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সারাদেশেই কাঁচা মরিচের দাম বেশি। এমনকি দুদিনের ব্যবধানে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরের পাইকারি বাজারে কাঁচা মরিচের দাম বেড়েছে কেজিতে ৪০ টাকা। প্রকারভেদে ১৬০ টাকার মরিচ বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা কেজি দরে।

ভারত থেকে কাঁচা মরিচ আনেন এমন এক ব্যবসায়ী একরামুল হক বলেন, কাঁচা মরিচ আমদানি না হওয়ায় সরবরাহে চাপ পড়েছে। সেজন্য মোকামগুলোতে বেশি দামে মরিচ বিক্রি করছেন কৃষকরা।