৫০০ চুরির পর অবশেষে ধরা

CPLUSTV
CTG NEWS
CPLUSTV
শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরীর বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও শপিং মলে অভিনয় কায়দায় ৫০০ চুরির ঘটনা ঘটিয়ে অবশেষে দুই সহযোগীসহ ধরা ধরা পড়েছেন চোর চক্রের দল নেতা জসিম।

আজ শুক্রবার সকালে অভিযান চালয়ে বাকলিয়া থানা পুলিশ এই ৩জনকে আটক করেছে। উদ্ধার করেছে চোরাই মালামাল।

আটক ৩জন হল-দল নেতা মোঃ জসিম (৪৪), পিতা- মৃত নুর আহাম্মদ, সহযোগী মোঃ জয়নাল (২৬), পিতা- মৃত মোকতার আহাম্মেদ, জেলা- কক্সবাজার ও মোঃ নাঈম উদ্দিন রিয়াজ (১৯), পিতা- মোঃ সেলিম, জেলা- চট্টগ্রাম।

বাকলিয়া থানার অফিসার ইনচাজ (ওসি) মোহাম্মদ নেজাম উদ্দিন জানান, আটককৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে তারা স্বীকার করে যে, তারা ইতিপূর্বে বাকলিয়া থানা এলাকা’সহ চট্টগ্রাম মহানগরীর বিভিন্ন স্থানে, শপিং মলে ও দোকানে এবং পার্শ্ববর্তী জেলা গুলোতে মোট ৫০০ চুরির ঘটনা সংঘটিত করে। এ চক্রের সদস্যরা ক্রেতা সেজে বিভিন্ন শপিং মলে ও দোকানে প্রবেশ করে দোকানীকে একেকজন একেক ধরণের পণ্য দেখানোর জন্য বলে দোকানদার লোকজনকে ব্যস্ত রাখে। দোকানীর মনোযোগ অন্যদিকে সরে গেলে তারা কৌশলে ক্যাশ বাক্স হইতে নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন চুরি করে ঘটনাস্থল হইতে সটকে পড়ে।

এভাবে উক্ত চোর চক্রের সক্রিয় সদস্যরা দীর্ঘদিন যাবৎ বাকলিয়া’সহ চট্টগ্রাম মহানগরীর বিভিন্ন স্থানে এবং পার্শ্ববর্তী জেলা গুলোতে চুরির কাযক্রম সংঘটন করে আসছে।

সর্বশেষ চোর চক্রের দলনেতা সহ চোর চক্রের গ্রেফতারকৃত ৩ জন সদস্য গত ২৫ সেপ্টেম্বর সকালে বাকলিয়া থানাধীন মিয়াখান নগরস্থ মিয়াখান সওদাগরের পুল সংলগ্ন মনিহার ডিপার্টমেন্টাল ষ্টোর নামে একটি দোকানে ক্রেতা সেজে প্রবেশ করে এবং ক্যাশ বাক্সের সম্মুখে দাঁড়িয়ে বাদীর পিতার নিকট একেকজন একেক ধরণের পণ্য চেয়ে বাদীর বাবা এবং দোকানের কর্মচারীদের বিধিব্যস্ত করে রাখেন।

ঐ সময় দোকানের মালিকে পিতা তাদেরকে ক্যাশ বাক্স হতে পিছনের দিকে ফিরে মালামাল দেওয়ার সময় ৩ জনের মধ্যে একজন চোর কৌশলে ক্যাশ বাক্স হতে মালিকের স্যামসাং প্রো-২৫ মডেলের মোবাইল ফোনটি চুরি করে পকেটে নিয়ে নেয় এবং তারা সবাই দ্রুত উক্ত দোকান থেকে সটকে পড়ে। বাদী তার মোবাইল ফোনটি খোঁজাখুজি করে ক্যাশ বাক্সে না পেয়ে সিসি টিভি ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজ পর্য্যালোচনা করে চোরকে চিহ্নিত করে।
পরে এ ব্যাপারে বাকলিয়া থানায় মামলা হলে পুলিশ তাদের আটকে অভিযান শুরু করে।

পুলিশ সিসি টিভি ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজ পর্য্যালোচনা করে চোর চক্রের সদস্যদের সনাক্ত করেন এবং থানা এলাকার বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে মামলার ঘটনায় জড়িত ৩ জন আসামীকে গ্রেফতার করা হয়।