৪৩ গডফাদারের বিপুল সম্পদের তথ্য দুদকের হাতে

CPLUSTV
CTG NEWS
CPLUSTV
শেয়ার করুন

ক্যাসিনোকাণ্ডে ৪৩ গডফাদারের দেশে-বিদেশে বিপুল পরিমাণ সম্পদের তথ্য পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এরইমধ্যে মালয়েশিয়ায় যুবলীগ নেতা ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাটের ফ্ল্যাট ও ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সুনির্দিষ্ট তথ্য মিলেছে।

সম্রাট ছাড়াও মমিনুল হক সাঈদ, খালেদ মাহমুদ ভূইয়া, লোকমান হোসেন ভূঁইয়া, সফিকুল আলম ফিরোজ, কাজী আনিসুর রহমান, মিজানুর রহমান বকুল, এনামুল হক এনু ও রুপম ভূঁইয়াসহ আরও ৪৩ জনের দেশে-বিদেশে, নামে-বেনামে বিপুল পরিমাণ সম্পদের তথ্যও পেয়েছে দুদক।

গত এক সপ্তাহে গোয়েন্দা তথ্যের মাধ্যমে ক্যাসিনোকাণ্ডে জড়িতদের বিষয়ে বিভিন্ন তথ্য পায় দুদক।

এরইমধ্যে ক্যাসিনোয় জড়িতদের অবৈধ সম্পদের অনুসন্ধানে নেমেছে দুদক। গেল সপ্তাহে দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদের সাথে বৈঠক হয় র‌্যাব এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আর্থিক গোয়েন্দা ইউনিট -বিএফআইইউ-এর মহাপরিচালকের সাথে। ক্যাসিনোয় জড়িতদের বিষয়ে দুদককে বেশকিছু তথ্য দেয় র‌্যাব এবং বাংলাদেশ ব্যাংক।

দুর্নীতি দমন কমিশন সচিব মুহাম্মদ দিলোয়ার বখত জানান, ‘ইতিমধ্যে ৪৩ জনের তথ্য পাওয়া গেছে। তাদের সম্পদের বিবরণী নেয়া হচ্ছে।’

সম্রাট ছাড়াও ক্যাসিনো ব্যবসায় জড়িত ৪২ জনের তথ্য এখন দুদকের অনুসন্ধান টেবিলে। ক্যাসিনোর পাশাপাশি তারা চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজিসহ বিভিন্ন উপায়ে অবৈধ সম্পদের মালিক হয়েছেন বলে দুদকের কাছে অভিযোগ রয়েছে।

দুদক সচিব জানান, ‘সম্পদের আয়ের উৎস যদি সঠিকভাবে না পাওয়া যায়, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলা এবং মানি লন্ডারিংয়ের মামলা হতে পারে।’