হাই কোর্টে জামিন হল না লতিফ সিদ্দিকীর

আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী। ফাইল ছবি।
CPLUSTV
CTG NEWS
CPLUSTV
শেয়ার করুন

বগুড়ায় দুর্নীতি দমন কমিশনের মামলায় জামিন চেয়ে করা আবেদনটি মঙ্গলবার ফেরত দিয়েছে বিচারপতি সহিদুল করিম ও বিচারপতি মো. রিয়াজ উদ্দিন খানের হাই কোর্ট বেঞ্চ।

মঙ্গলবার আদালতে লতিফ সিদ্দিকীর আইনজীবী ছিলেন শাহ মঞ্জুরুল হক। দুদকের পক্ষে ছিলেন খুরশীদ আলম খান।

খুরশীদ আলম বলেন, “আদালত লতিফ সিদ্দিকীকে জামিন দেননি। তার আবেদনটি ফেরত দিয়েছেন।”

এর আগে গত ৭ জুলাই এই মামলায় লতিফ সিদ্দিকীর আবেদনে জামিন প্রশ্নে চার সপ্তাহের রুল জারি করেছিল বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলমের হাই কোর্ট বেঞ্চ।

খুরশীদ বলেন, “জুলাইয়ে লতিফ সিদ্দিকীর জামিন প্রশ্নে রুল জারি করে। কিন্তু রুলটা তারা চালাবে না কারণে তাদেরই আবেদনে গত ২২ আগস্ট রুলটা নটপ্রেস করে। পরে গত বৃহস্পতিবার এই বেঞ্চে আবার জামিন আবেদন করেন লতিফ সিদ্দিকী।”

যেহেতু আদালত তার জামিন আবেদনটি ফেরত দিয়েছে, তাই আপাতত জেলেই থাকতে হচ্ছে আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক এই মন্ত্রীকে; যিনি সর্বশেষ ২০১৪ সালে টাঙ্গাইল-৪ আসন থেকে তৃতীয়বারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।

বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী থাকার সময় লতিফি সিদ্দিকী ক্ষমতার অপব্যবহার করে বাংলাদেশ জুট করপোরেশনের অধীনে থাকা বগুড়ার আদমদীঘির রানীনগর ক্রয় কেন্দ্রের ২ দশমিক ৩৮ একর জমি দরপত্রের বিজ্ঞপ্তি ছাড়াই ৬৪ লাখ ৬৩ হাজার ৭৯৫ টাকার সম্পদ ২৩ লাখ ৯৪ হাজার ৭৭৪ টাকায় বেগম জাহানারা রশিদের কছে বিক্রির নির্দেশ দেন।

এতে সরকারের ৪০ লাখ ৬৯ হাজার ২১ টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে অভিযোগ করে দুদকের সহকারী পরিচালক মো. আমিনুল ইসলাম ২০১৭ সালের ১৭ অক্টোবর বেগম জাহানার রশিদকে আসামি করে আদমদীঘি থানায় মামলা করেন। গত বছরের ১৮ ফেব্রুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল হয়।

গত ২০ জুন লতিফ সিদ্দিকী বগুড়ার জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করলে তার জামিন বাতিল করে জেল হাজতে পাঠান বিচারক।

পরে গত ৩০ জুন লতিফ সিদ্দিকীর হৃদরোগসহ কিডনি, লিভারের নানা সমস্যা ও বয়স উল্লেখ করে তার স্ত্রী হাই কোর্টে জামিন আবেদন করেন।

আবেদনে বলা হয়, জেল কর্তৃপক্ষ চিকিৎসার জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে পাঠিয়েছেন।