স্বামীর পরকিয়ার জের ধরে হত্যা, নাকি আত্মহত্যা

অবশেষে স্বামী হাবীব কারাগারে

ছবি: সংগৃহীত
CPLUSTV
CTG NEWS
CPLUSTV
শেয়ার করুন

ফটিকছড়ি প্রতিনিধি: ফটিকছড়িতে গৃহবধু তানজিদা নাসরিন লিমার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধারের ঘটনায়  সন্দেহভাজন হিসেবে আটক  স্বামী  হাবীবুর রহমানকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। নিয়মিত মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে মঙ্গলবার (২৪ মে) সকালে তাকে আদালতে পাঠানো হয়।

ঘটনার দিন রাতে স্বামী হাবিবুর রহমানকে প্রধান আসামী এবং ৫/৬ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামী করে মামলাটি দায়ের করেন নিহতের ভাই মোকতার হোসেন মুরাদ। এতে সহযোগী হিসেবে লিমার ভাসুর ফরিদ ও ননদ বেবি আকতারের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

সোমবার (২৩ মে) সকালে উপজেলার সুন্দরপুর ইউনিয়নের কাজীরখীল গ্রামের শ্বশুর বাড়ির শয়ন কক্ষ থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় গৃহবধু তানজিদা নাছরিন লিমার লাশ উদ্ধার করেন পুলিশ। নিহত গৃহবধু ঐ এলাকার প্রবাসী হাবিবুর রহমানের স্ত্রী। তাদের সংসারে ৬ বছরের এক কন্যা সন্তান রয়েছে।

এদিকে, নিহত লিমার পরিবারের দাবী স্বামীর পরকীয়া প্রেম ফাঁস করা ও যৌতুকের কারণে শ্বশুর বাড়ির লোকজন মিলে লিমাকে হত্যা করে লাশ ফাঁসিতে ঝুলিয়ে দিয়ে আত্বহত্যা বলে চালিয়ে দিতে চাইছে।

উল্লেখ্য, সোমবার (২৩ মে) সকাল ৯ টার দিকে সুন্দরপুরের শ্বশুর বাড়ির  নিজ শয়ন কক্ষ থেকে গৃহবধু লিমার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এর পূর্বে সকাল সাড়ে ৬টার দিকে লিমার অসুস্থতার খবর পেয়ে মা,বাবা ও ভাই শ্বশুর বাড়িতে গিযে দেখে লিমার ঝুলন্ত লাশ।

এ বিষয়ে লিমার ভাই মুরাদ বলেন, আমার বোনকে তারা সবসময় নির্যাতন করতো। যৌতুক দাবী করতো। তার স্বামীর পরকীয়ার খবর  আমার বোন জেনে গিয়েছিল। এ জন্য শ্বশুর বাড়ির লোকজন মিলে তাকে হত্যা করে লাশ ঝুলিয়ে দিয়ে আত্বহত্যা হিসেবে চালিয়ে দিতে চাচ্ছে। মুরাদ আরো বলেন, লাশের শরীরে একাধিক জখমের চিহ্ন, এর বড় প্রমাণ। ফ্যানের সাথে লাশ ঝুলানো অবস্থায় দেখা গেলেও হাটু  ছিল খাটের সাথে মোড়ানো।

এ বিষয়ে মামলার তদন্তকারী অফিসার ফটিকছড়ি থানার এস আই ইমাম হোসেন বলেন, মামলায় অভিযুক্ত নিহত লিমার স্বামী হাবীবকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার অপেক্ষায় আছি। রিপোর্টের উপর ভিত্তি করে পরবর্তী গ্রহণ করা হবে।