দি চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি এর সাথে ত্রিপক্ষীয় সমঝোতা স্বাক্ষর

ছবি:সংগৃহীত
CPLUSTV
CTG NEWS
CPLUSTV
শেয়ার করুন

প্রেস বিজ্ঞপ্তি: তথ্য ও জ্ঞান-আদান প্রদান ও আন্তর্জাতিকমানের দক্ষতা বৃদ্ধিতে পারস্পরিক সহযোগিতার লক্ষ্যে ভারতের অন্যতম ব্যবসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ ম্যানেজমেন্ট কোহিকড (আইআইএমকে)’র সাথে দি চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি (সিসিসিআই) এবং বাংলাদেশ সেন্টার অফ এক্সিলেন্স (বিসিই)’র নলেজ কর্পোরেশন নামে একটি ত্রিপক্ষীয় সমঝোতা স্বাক্ষরিত হয়েছে।

উভয়দেশের তিনটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে প্রথম এই জাতীয় নলেজ শেয়ারিং বিষয়ক সমঝোতা ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের চেম্বার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।অনলাইনে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন আইআইএমকে’র পরিচালক অধ্যাপক দেবাশীষ চ্যাটার্জী এবং চিটাগাং চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলম। এ সময় চট্টগ্রামস্থ ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার ডাঃ রাজীব রঞ্জন, চিটাগাং চেম্বার সহ-সভাপতি ও বাংলাদেশ সেন্টার অব এক্সিলেন্স’র এক্সিকিউটিভ কমিটির ট্রেজারার সৈয়দ মোহাম্মদ তানভীর, চেম্বার পরিচালকবৃন্দ মোঃ অহীদ সিরাজ চৌধুরী (স্বপন), অঞ্জন শেখর দাশ, ওমর ফারুক, ইঞ্জিনিয়ার ইফতেখার হোসেন ও মোহাম্মদ আদনানুল ইসলাম, আইআইএমকে’র ডীন এক্সিকিউটিভ এডুকেশন প্রফেসর জি শ্রীধর, আইআইএমকে এমডিপি’র চেয়ারপারসন প্রফেসর সূর্য প্রকাশপাতি উপস্থিত
ছিলেন।

উভয়দেশের প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী নেতৃত্বে দৃঢ়ভাবে এগিয়ে চলা সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে বিশেষ অতিথি ডাঃ রাজীব রঞ্জন বলেন-ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ভাষা, সংস্কৃতি এবং ইতিহাসভিত্তিক সম্পর্ক বিদ্যমান রয়েছে। ভারত ও বাংলাদেশের দুইটি সংস্থার মধ্যে এই ধরণের নলেজ শেয়ারিংয়ের বিষয়টি সত্যিই অনুপ্রেরণাদায়ক। আমরা খুবই আনন্দিত যে, আইআইএমকের বিশ্বমানের
একাডেমিক কোর্স এবং প্রশিক্ষণ কর্মসূচির এই ঐতিহাসিক সমঝোতা দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে বন্ধুত্বের সম্পর্ক আরো জোরদার করবে। চিটাগাং চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলম ভারত-বাংলাদেশকে ভ্রাতৃত্ব ও বন্ধুত্বের অনন্য উদাহরণ উল্লেখ করে ভারতের শীর্ষ ম্যানেজমেন্ট স্কুল ব্র্যান্ড আইআইএমকে’র সাথে যুক্ত হওয়ায় উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন-২০৪১ সালের মধ্যে একটি জ্ঞানভিত্তিক দেশ গঠনে আমাদের ব্যবসায়িক নেতৃবৃন্দের দক্ষতা বাড়ানো প্রয়োজন। ভারতের অন্যতম প্রধান এই ব্যবসায়িক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাথে এই চুক্তি আমাদের ব্যবসা-বাণিজ্যের উদীয়মান নেতৃত্বকে আরো দক্ষ করে তুলবে। প্রফেসর চ্যাটার্জি এই সমঝোতা স্বাক্ষরের মাধ্যমে দুই দেশের তিনটি প্রতিষ্ঠানের একত্রিত হওয়াকে ‘ঐতিহাসিক’ বলে অভিহিত করেন।

তিনি এই সহযোগীতা আগামী দিনে ভারত-বাংলাদেশ বেসরকারি খাতের সম্পর্কে নতুন অধ্যায় সূচনা করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন-বাংলাদেশের ২০৪১ সালের ভিশনের মতো আমাদের আইআইএমকে’র একটি ভিশন রয়েছে। আমরা আশা করি পরবর্তী প্রজন্মের ব্যবসায়ী নেতারা এই অ্যাসোসিয়েশন থেকে ব্যাপকভাবে উপকৃত হবেন।

চিটাগাং চেম্বার সহ-সভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ তানভীর বলেন-চুক্তির মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে নলেজ শেয়ার করা, যার মাধ্যমে বাংলাদেশী পেশাজীবীদের জন্য কর্মশালা, সেমিনার, ওয়েবিনার ও একাডেমিক কোর্সের আয়োজন করা হবে যা অনলাইন ও
অফলাইন উভয় প্ল্যাটফর্মে হতে পারে।