সাতকানিয়ায় প্রতিপক্ষের হামলায় মহিলাসহ আহত ৪

CPLUSTV
CTG NEWS
CPLUSTV
শেয়ার করুন
সাতকানিয়ায় আধিপত্য বিস্তারের জের ধরে প্রতিপক্ষের হামলায় মহিলাসহ ৪ জন আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার সময় উপজেলার ধর্মপুর ইউনিয়নের ফাজরপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনা সকালে শুরু হয়ে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত এর রেশ থাকে এবং দফায় দফায় ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া চলতে থাকে।
এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
হামলায় প্রতিপক্ষের ধারারো দা’য়ের কোপে আহতরা হলেন ধর্মপুরের ফাজরপাড়া এলাকার মৃত আবু তৈয়বের ছেলে আবদুল্লাহ তালুকদার ওরফে মুন্না (২১), ময়নাবাদ এলাকার মুজিবুর রহমানের ছেলে রিয়াদুল ইসলাম ওরফে রিমন (২৭), তাঁর মা কহিনুর তালুকদার (৫০) ও একই এলাকার মৃত কালা মিয়ার ছেলে মো. আকতার (৩৫)। আবদুল্লাহ তালুকদার ওরফে মুন্না ও রিয়াদুল ইসলাম ওরফে রিমনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আকতারকে সাতকানিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হাত ও হাটুর চিকিৎসা দেয়া হয়।
চিকিৎসক জানিয়েছেন আকতারের বাম হাতের হাড় বেঙ্গে গেছে জখম ফুলা কমার পর প্লাষ্টার দেয়া হবে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ধর্মপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ইলিয়াছ চৌধুরী ও চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের স্টিয়ারিং কমিটির সাবেক সদস্য গিয়াস উদ্দিন হিরুর মধ্যে বংশানুক্রমিকভাবে এলাকার আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। ওই বিরোধের জের ধরে বিভিন্ন সময়ে এলাকায় বহুবার হামলা ও পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটে। প্রায় এক বছর আগে গিয়াস উদ্দিন হিরু মারা গেলেও দুই পক্ষের আধিপত্যের বিরোধ রয়েই যায়। ওই বিরোধের জের ধরে মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে চেয়ারম্যানের পক্ষের লোকজন ফাজরপাড়া এলাকায় আকতার মারধর করে বাড়ির পাশের জমির নরম কাদায় চাপা দেয়ার চেষ্টা চালান। খবর পেয়ে গিয়াস উদ্দিনের লোকজন সংঘবদ্ধ হয়ে আকতারের উপর হামলাকারী চেয়ারম্যানের লোকজনকে পাল্টা হামলার প্রস্তুতি নিতে থাকলে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে চেয়ারম্যানের লোকজন আবারও সংগঠিত হয়ে ফাজরপাড়ার দিকে এসে আবদুল্লাহ তালুকদারকে ও পাশের রিয়াদুলের বাড়িতে হামলা চালান এবং কুপিয়ে দু’জনকে গুরুতর আহত করেন। এ সময় বিয়াদুলের মা বাধা দিলে তাঁকে লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে আহত করে। পরে স্থানীয় লোকজন আহতদের উদ্ধার করে চিসিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠিয়ে দেন।
যোগাযোগ করা হলে সাতকানিয়া এসআই মাহমুদুল করিম ও মাহবুবুল আলম জানান, গত ১০ তারিখ রাতে উপজেলা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পক্ষ বিপক্ষ নিয়ে চেয়ারম্যান ইলিয়াছ চৌধুরী ও তার প্রতিপক্ষের সাথে ঘটে যাওয়ার ঘটনার জের ধরে আজকের এ হামলা। এরপরও আমরা তদন্ত করে দেখছি এলাকায় শাস্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে যতটুুকু প্রয়োজন প্রশাসন তা’ করবে।