সবকিছু বিবেচনা করেই ১৫০ আসনে ইভিএমের সিদ্ধান্ত

ছবি: সংগৃহীত
CPLUSTV
CTG NEWS
CPLUSTV
শেয়ার করুন

সিপ্লাস ডেস্ক: নির্বাচন কমিশনার রাশেদা সুলতানা বলেছেন, রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংলাপের পর তাদের মতামত বিশ্লেষণ ও তাদের মতামতকে গুরুত্ব দিয়েই সর্বোচ্চ ১৫০ আসনে ইভিএমে ভোট গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। যেসব রাজনৈতিক দল ইভিএমকে বর্জনের কথা জানাচ্ছে তাদের আবারও সংলাপের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, তারা তো ইভিএমের টেকনিক্যাল কোনো ভুল ধরিয়ে দিতে পারছে না, কেউ সেটা ধরিয়ে দিলে আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

রোববার দুপুরে খুলনার দিঘলিয়া উপজেলার সেনহাটি ইউনিয়ন পরিষদে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের একথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, কোন দল নির্বাচনে আসলো কি আসলো না এটা নিয়ে নির্বাচন কমিশনের খুব বেশি করার কিছু নেই। তবে আমরা সবাইকে নির্বাচনে আহ্বান জানিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচন করতে চাই। নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবি নিয়েও আমাদের কিছুই করার নেই। আমাদের কাজ সুষ্ঠু নির্বাচন করা, সেটা যে সরকারই থাকুক। তারা যদি সে সরকার আনতে পারে, আমরা তাদের অধীনেই নির্বাচন করবো। আমাদের সিদ্ধান্ত সর্বোচ্চ ১৫০ আসনে ইভিএমে নির্বাচন করা। কমিশনের সক্ষমতা অনুযায়ী এটা পরিবর্তনও হতে পারে।

নির্বাচন কমিশনার বলেন, সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন বর্তমান কমিশনের প্রধান লক্ষ্য। এই কমিশনের অধীনে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সকল দল অংশগ্রহণ করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানে একটি নির্ভুল ভোটার তালিকার বিকল্প নেই। নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতাও এর ওপর অনেকাংশে নির্ভর করে।

তিনি বলেন, ভোটের প্রাণ হলো প্রার্থী ও ভোটার। প্রতি বছর অনেকেই ভোটার হওয়ার উপযুক্ত হয়। প্রচার-প্রচারণার মাধ্যমে তাদেরকে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হতে উৎসাহিত করতে হবে। তারা যেন নিজেদের তথ্য নিজেরাই পর্যবেক্ষণ করতে পারে তার জন্য এ কাজে নিয়োজিতদের তিনি নির্দেশনা প্রদান করেন।

ইভিএম সম্পর্কে নির্বাচন কমিশনার বলেন, এই যন্ত্রের ব্যবহার ভোট প্রদানে সময় কমিয়ে দেয়। একই সঙ্গে এটি পরিবেশবান্ধব। কারণ এতে কাগজের ব্যালট পেপার ব্যবহারের প্রয়োজন হয় না। ইভিএম’র মাধ্যমে কেউ জাল ভোট দিতে পারবে না, একজন ব্যক্তি শুধু একটি ভোট দিতে পারবেন।

পরিদর্শনকালে আঞ্চলিক নির্বাচন অফিসার মো. হুমায়ুন কবীর, সিনিয়র জেলা নির্বাচন অফিসার এম মাজহারুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাহবুবুল আলম, সেনহাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জিয়া গাজী, উপজেলা নির্বাচন অফিসার সৌমেন বিশ্বাস ছন্দ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

পরে নির্বাচন কমিশনার রাশেদা সুলতানা ১০ জন নতুন ভোটারের হাতে জাতীয় পরিচয়পত্র তুলে দেন।