সপ্তাহে একদিন শিল্প-কারখানা বন্ধ রেখে প্রজ্ঞাপন

ছবি: সংগৃহীত
CPLUSTV
CTG NEWS
CPLUSTV
শেয়ার করুন

সিপ্লাস ডেস্ক: দেশের শিল্পাঞ্চলসমূহে বিদ্যুৎ সরবরাহ নির্বিঘ্ন করার লক্ষ্যে ভিন্ন ভিন্ন সাপ্তাহিক বন্ধের দিন নির্ধারণ করেছে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর (ডাইফ)।

বৃহস্পতিবার (১১ আগস্ট) বিকেলে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শক (অতিরিক্ত সচিব) মো. নাসির উদ্দিন আহমেদের সই করা প্রজ্ঞাপনটি জারি করা হয়।

অঞ্চল ভাগ করে সপ্তাহের সাতদিনই ছুটি রয়েছে শিল্পাঞ্চলে। ঢাকা-চট্টগ্রামসহ দেশের শিল্পাঞ্চলের কোন এলাকায় কোন দিন ছুটি তা দেখতে ক্লিক করুন।

বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে গত ১৯ জুলাই থেকে সারাদেশে শিডিউল করে এলাকাভিত্তিক লোডশেডিং করছে সরকার। সম্প্রতি বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ জানান, অর্থনীতির ওপর যেন নেতিবাচক প্রভাব না পড়ে সেজন্য শিল্পকারখানায় বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার বিষয়টিকে প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে উৎপাদনমুখী সব শিল্পকারখানায় রোস্টার করে সাপ্তাহিক ছুটি ঘোষণা হবে।

সেই ধারাবাহিকতায়ই এই ছুটির দিন নির্ধারণ করলো সরকার।

এতে বলা হয়, দেশের শিল্পাঞ্চলসমূহে বিদ্যুৎ সরবরাহ নির্বিঘ্ন করার লক্ষ্যে শ্রম ও কর্ম সংস্থান মন্ত্রণালয়ের ১১ ৮ ২০২২ তারিখের এক পত্রের মর্মানুযায়ী পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ এর ১১৪ (২) ধারার ক্ষমতাবলে এলাকাভেদে এ সাপ্তাহিক বন্ধের দিন ধার্য করা হলো।

প্রজ্ঞাপনে সারা দেশে শিল্প-প্রতিষ্ঠানের সাপ্তাহিক বন্ধের দিন, বৈদ্যুতিক এলাকা এবং এলাকার নাম উল্লেখ করে দেওয়া হয়েছে।

এর আগে ৭ আগস্ট বিদ্যুৎ ভবনে শিল্পকারখানার মালিক ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে এক সভা শেষে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, এখন শিল্পাঞ্চলে শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটি কার্যকর আছে। একদিনে সব এলাকায় ছুটি না দিয়ে, যদি রেশনিংয়ের মাধ্যমে একেকদিন একেক এলাকায় ছুটি চালু করা যায়, তাহলে বিদ্যুতের কিছুটা সাশ্রয় হবে।