সন্দ্বীপে আওয়ামীলীগের কাউন্সিলে মারামারি, আহত ৫

CPLUSTV
CTG NEWS
CPLUSTV
শেয়ার করুন

সন্দ্বীপের মাইটভাঙ্গা ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের ত্রি–বার্ষিক কাউন্সিল অধিবেশনে তুমুল মারামারি মাধ্যমে সম্মেলন পন্ড হয়েছে। মঙ্গলবার বিকাল ৪ টার দিকে এই ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানাযায়, মঙ্গলবার বিকালে মাইটভাঙ্গা নুরুল আহাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের ত্রিবার্ষিক কাউন্সিল অধিবেশ শুরু হয়। ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের আহবায়ক দিদারুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের প্রথম অধিবেশন শেষ হয়। দ্বিতীয় অধিবেশনে কাউন্সিলদের অংশগ্রহণে প্রার্থীতা আহবান করলে সভাপতি পদে স্থানীয় ইউপি সদস্য রেজাউল করিম এবং মো. এখলাছুর রহমান শিবলু প্রার্থী হলে ভোট গ্রহণ শুরু হয়।

যেসব কাউন্সিলর লিখতে জানেনা তাদের পছন্দের প্রার্থীর নাম লিখতে আহবায়ক অন্য একজনকে দায়িত্ব দেন। কিন্তু সভাপতি প্রার্থী রেজাউল করিম মেম্বার আহবায়ক মনোনীত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আপত্তি জানালে ঝগড়া শুরু হয়। একপর্যায়ে নুরুল আফসার, হেলাল,কাউসার সহ ১০-১৫ জন রেজাউল করিম মেম্বারের উপর হামলা করে। এতে রেজাউল করিম মেম্বার(৪০),কাউন্সিলর ফারহানা আক্তার(৩২),সালেকা বেগম (৫০),মো.সেলিম (৪৮),এমদাদ হোসেন (৪৩) ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের যুগ্ম আহবায়ক সাইফুল ইসলাম আহত হন।

জানা যায়, আহত রেজাউল করিম মেম্বারের সাথে আফসারের পিতা নুরছাপা মালাদারের আগের শত্রুতা ছিল। গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দুইজন মেম্বার পদে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেছিলেন। নির্বাচনের দিন ভোট কেন্দ্রে করিমের সমর্থকদের সাথে নুরছাপা মালাদারের সমর্থকদের মারামারি হয়েছিল। 

ঘটনার পরপর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

রেজাউল করিম মেম্বার অভিযোগ করে বলেন, আমার উপর হামলা করে আমার পা ভেঙে দিয়েছে। মহিলা সহ আরো ৪ জনের উপর গুরুতর আঘাত হওয়ার পরেও পুলিশ এসে আমাদের থেকে কোন কথা না শুনেই উল্টো আমাদের শাসিয়েছেন।

ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের আহবায়ক দিদারুল আলম বলেন,পছন্দের প্রার্থীর নাম যারা লিখতে পারেনা তাদের জন্য আমি লিখতে পারে এমন একজন নিরেপক্ষ লোক নিয়োগ করেছিলাম। করিম মেম্বার তার বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলার পর আমি তাকে বুঝিয়ে বসিয়ে দিই। এরমধ্যে উভয় প্রার্থীর সমর্থকেরা বিবাদে লিপ্ত হয়ে মারামারির সূত্রপাত ঘটে।

সন্দ্বীপ থানার পুলিশের ওসি শেখ শরিফুল ইসলাম জানান, ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সম্মেলনে মারামারির ঘটনা শুনে আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চলছে।