সংখ্যালঘু বলে কিছু নেই, সকলের অধিকার সমান: প্রধানমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত
CPLUSTV
CTG NEWS
CPLUSTV
শেয়ার করুন

সিপ্লাস ডেস্ক: দেশে সংখ্যালঘু বলে কিছু নেই, সবার অধিকার সমান, আর এই আত্মবিশ্বাস থাকলে চক্রান্তকারীরা কোনো ক্ষতি করতে পারবে না বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বৃহস্পতিবার (১৮ আগষ্ট) বিকালে জন্মাষ্টমী উপলক্ষে গণভবন থেকে ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরের আলোচনায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কোনো ঘটনার পর বিদেশিদের কাছে এমনভাবে তুলে ধরা হয় যেন দেশে সনাতন ধর্মের মানুষ নিরাপদে নেই। কিন্তু ঘটনার পর যে ব্যবস্থা নেয়া হয় তা প্রচার করা হয় না।

জন্মাষ্টমী উপলক্ষে বৃহস্পতিবার বিকেলে গণভবন থেকে ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরের আলোচনায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হন প্রধানমন্ত্রী।

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্বের উন্নত অনেক দেশও হিমশিম খাচ্ছে উল্লেখ করে দেশের সবাইকে এই দুঃসময়ে কঠোর পরিশ্রম করার আহ্বান জানান তিনি।

বিত্তবানদেরকে সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের পাশে দাঁড়াতে আহ্বান জানান শেখ হাসিনা।

বাংলাদেশের মাটিতে সব ধর্মের মানুষের সহাবস্থানের বিষয়টি তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, এই মাটিতে যাদের জন্ম তারা নিজেদের মতো করে নিজেদের ধর্ম পালন করবে। দেশে সম্প্রীতির পরিবেশ নষ্ট করার চেষ্টা করা হয় বিভিন্ন সময়। সব ধর্মেই আছে, যারা এসব সমস্যা করার চেষ্টা করে। তবে কোনো ঘটনা ঘটলে ব্যবস্থা নেয়া হয়।

তিনি বলেন, আমরা মানবধর্মে বিশ্বাস করি, সব ধর্মেই একথা বলা হয়। কারো ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দিয়ে কথা বলা ঠিক না। আওয়ামী লীগ তা বিশ্বাস করে না। সকল মানুষ সমান অধিকার ভোগ করবে।

পিছিয়ে পরা জনগোষ্ঠীকে ধীরে ধীরে তুলে আনা হচ্ছে জানিয়ে সরকারপ্রধান বলেন, একটি মানুষও গৃহহীন থাকবে না, জীবন জীবিকায় স্বচ্ছল হবে, সে লক্ষ্যে কাজ করছি। সকলের জন্য সার্বজনীনভাবে করছি। মানবতার জন্য কাজ করা মানবতার উন্নতি করাই সরকারের লক্ষ্য।

তিসি সনাতন ধর্মের অনুসারীদের উদ্দেশে বলেন, নিজেদের সংখ্যালঘু নয়, এই দেশের নাগরিক হিসেবে মনে করবেন, সমান অধিকার থাকবে এই আত্মবিশ্বাস নিয়ে চলতে পারলে দুষ্টু লোকেরা কিছু করতে পারবে না। ঐক্য নিয়ে চলতে হবে। নিজ ধর্ম স্বাধীনভাবে পালন করবেন। ধর্ম পালনে কখনো ছোট মনে করবেন না, এদেশের নাগরিক হিসেবে সমানভাবে সমান অধিকার ভোগ করার আত্মবিশ্বাস নিয়ে চলবেন।

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ পুজা উদযাপন কমিটির সভাপতি রমেন দাস, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক চন্দ্রনাথ পোদ্দারসহ অন্য নেতারা।