শেষ মুর্হুতে টুংটাং শব্দে মুখরিত মহেশখালী-বদরখালীর কামারপাড়া

শেষ মুর্হুতে টুংটাং শব্দে মুখরিত কামারপাড়া মহেশখালী-বদরখালী
CPLUSTV
CTG NEWS
CPLUSTV
শেয়ার করুন

মহেশখালী প্রতিনিধি: আগামী ১০ জুলাই (রবিবার) সারাদেশে পবিত্র ঈদুল আযহা পালিত হবে। ঈদকে সামনে রেখে এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন কামাররা। দিন যতই ঘনিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে তাদের ব্যস্ততা।

ঈদুল আযহায় কোরবানিকৃত পশুর মাংস কাটতে দা-বটি, ছুরি-ছোরা, চাপাতি ইত্যাদি ধাতব হাতিয়ার অপরিহার্য। তাই কয়লার চুলায় দগদগে আগুনে গরম লোহার পেটানোর টুং টাং শব্দে মুখর হয়ে উঠেছে মহেশখালীসহ বদরখালীর বিভিন্ন কামারপাড়া। কাক ডাকা ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত কাজ করে যাচ্ছেন তারা। সারা বছর তেমন কাজ না থাকলেও কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে কয়েকগুণ ব্যস্ততা বেড়ে যায় কামার পাড়ায়।

কয়েকজন কামারের সাথে আলাপ করে জানা যায়, পশুর চামড়া ছাড়ানো ছুরি ২০০ থেকে ৩০০ টাকা, দা ২০০ থেকে ৩৫০ টাকা, বটি ২৫০ থেকে ৫০০ টাকা, পশু জবাইয়ের ছুরি ৩০০ থেকে ১ হাজার টাকা, চাপাতি ৫০০ থেকে ৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

পশু জবাইয়ের সরঞ্জামাদি কিনতেও লোকজন ভিড় করছেন তাদের দোকানে। আগে যেসব দোকানে দু,জন করে শ্রমিক কাজ করতো, এখন সেখানে ৫-৬ জন করে শ্রমিক কাজ করছেন।

কামারদের অভিযোগ, কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে কয়লার দাম ও শ্রমিকের মজুরি বেড়ে গেছে। অপরদিকে অভিযোগ ঈদ উপলক্ষে দা, চাপাতি ও ছুরির দাম বেশি নেওয়া হচ্ছে। ছুরি শান দেওয়ার জন্য ৫০ টাকা থেকে শুরু করে কাজের গুণাগুণের উপর ভিত্তি করে ১৫০ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছে। কুরবানির ঈদ উপলক্ষে কামারদের বিক্রি বেড়েছে দ্বিগুণ।

এদিকে অনেক কামারই নতুন করে অর্ডার নেওয়া বন্ধ করে দিয়েছে।