রামুতে অবৈধ বালি উত্তোলনের দায়ে ডাম্পার জব্দ করে ৩ জনকে জরিমানা

ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অভিযান চালিয়েছেন রামু উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফাহমিদা মুস্তফা
CPLUSTV
CTG NEWS
CPLUSTV
শেয়ার করুন

রামু প্রতিনিধি: রামু উপজেলার চাকমারকুল ইউনিয়নে একাধিক ড্রেজার মেশিন বসিয়ে বালি উত্তোলনকারিদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অভিযান চালিয়েছেন রামু উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফাহমিদা মুস্তফা।

বুধবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে চাকমারকুল ইউনিয়নের নয়াপাড়া,  মিয়াজিপাড়া, লম্বরীপাড়া এবং সিকদারের চর এলাকায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধে এ অভিযান চালানো হয়।

তবে, রামুর গর্জনিয়া কচ্ছপিয়াতে অবৈধ বালি উত্তোলন অব্যাহত রয়েছে। এসব এলাকায়, ক্ষমতাসীনদের সাইন বোর্ড়ধারী, জহির উদ্দিন, রিসাদ, মেহেদী হাসান, সোহেল সিকদার, আবদুল্লাহ, জব্বর মেম্বার, মারুফ মেম্বারসহ ১৫/২০ জনের একটি সেন্ডিকেট বাকঁখালী, দৌছড়ি খাল, জামছড়ি খাল ও গর্জ্জই খালে, প্রায় শতাধিক ড্রেজার মেশিন বসিয়ে প্রতিনিয়ত বালি উত্তোলন অব্যাহত রেখেছে। অথচ এসব এলাকার বালি মহল থেকে বালি উত্তোলন উচ্চআদালত থেকে সম্পূর্ণ নিষেধজ্ঞা রয়েছে। রামু উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইউএনও ফাহমিদা মুস্তফা জানিয়েছেন -রামুর চাকমারকুলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে একাধিক ড্রেজার মেশিনে বালি উত্তোলনের সত্যতা পাওয়া যায়।

এ সময় বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন ২০১০ এর বিধি বিধান লংঘনের দায়ে শওকত আলী, মো. কামাল এবং জাহাঙ্গীর আলমকে তিনটি পৃথক মামলায় পঞ্চাশ হাজার টাকা করে মোট দেড় লক্ষ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

এ ছাড়াও ঘটনাস্থলে একটি বালু ভর্তি ট্রাক জব্দ করে পরে মুচলেকা গ্রহণ ও জরিমানা আদায়পূর্বক ছেড়ে দেয়া হয়। অভিযানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার্থে বদরখালি নৌ পুলিশ ফাড়ির একটি দল অংশ নেয়। যেখানে অবৈধ বালি উত্তোলন হবে, জনস্বার্থে সেখানে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান ইউএনও ফাহমিদা মুস্তফা।