রাঙামাটির পাবলাখালীকে বন্যপ্রাণীদের পুর্ণাঙ্গ অভয়ারণ্য গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার

রাঙামাটিতে অনুষ্ঠিত পাবলাখালী বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা প্রনয়ন বিষয়ে কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিএইচটিডব্লিউসিএ প্রকল্প সমন্বয়ক ও উপ-প্রধান বন সংরক্ষক মোঃ মঈনুদ্দিন খান
CPLUSTV
CTG NEWS
CPLUSTV
শেয়ার করুন

রাঙামাটি প্রতিনিধি: ”চট্টগ্রাম পার্বত্য জেলা রাঙামাটির বাঘাইছড়িতে অবস্থিত দেশের অন্যতম বৃহত্তম পাবলাখালী বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য হবে আকর্ষনীয় ইকোপার্ক। ৪২০৮৭ হেক্টর জায়গাজুড়ে অবস্থিত পাবলাখালী বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য ১৯৬২ সালে সূচনা হয়। এখন এটিকে একটি পুর্ণাঙ্গ বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য হিসেবে গড়ে তোলার জন্য বর্তমান সরকার উদ্যোগ নিয়েছে। স্থানীয় অধিবাসী ও সংশ্লিষ্টদের সহযোগীতা নিয়ে বন বিভাগ এটিকে সমৃদ্ধ করবে।”

রাঙামাটিতে অনুষ্ঠিত পাবলাখালী বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা প্রনয়ন বিষয়ে কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিএইচটিডব্লিউসিএ প্রকল্প সমন্বয়ক ও উপ-প্রধান বন সংরক্ষক মোঃ মঈনুদ্দিন খান এসব কথা বলেন।

ইউএনডিপি’র চিটাগং হিল ট্র্যাক্টস ওয়াটারশেড কো-ম্যানেজমেন্ট এ্যাক্টিভিটি ‘‘স্ট্রেনদেনিং ইনক্লুসিভ ডেভেলপমেন্ট ইন চিটাগং হিল ট্র্যাক্টস এর অর্থ সহায়তায় এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগের আয়োজনে মঙ্গলবার (১৪ জুন) বিকেলে রাঙামাটি বন সংরক্ষকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষ অনুষ্ঠিত কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগের ডিএফও অজিত কুমার রুদ্র।

এতে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, রাঙামাটির অঞ্চলের বন সংরক্ষক মুহাম্মদ সুবেদার ইসলাম। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম দক্ষিন বন বিভাগের ডিএফও ছালেহ মোঃ শোয়াইব খান, অশ্রেণীভূক্ত বনাঞ্চল বনীকরণ বিভাগের ডিএফও আ ন ম আব্দুল ওয়াদুদ, ঝুম নিয়ন্ত্রণ বন বিভাগের ডিএফও মোঃ জহুরুল ইসলাম, রাঙামাটি জেলা পরিষদের জনসংযোগ কর্মকর্তা অরুনেন্দু ত্রিপুরা, রাঙামাটি প্রেসক্লাবের সভাপতি সাখাওয়াৎ হোসেন রুবেল, ইউএনডিপি’র মোঃ জহিরুল ইসলাম ও মংলা মিয়ানত। উত্তর বন বিভাগের এসিএফ মোঃ মনিরুজ্জামান।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন উত্তর বন বিভাগের সদর রেঞ্জ কর্মকর্তা মোশাররফ হোসেন। কর্মশালায় রাঙামাটি জেলার বিভিন্ন উপজেলাধীন ইউপি চেয়ারম্যান, পাবলাখালী বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের সাথে সংশ্লিষ্ট এলাকার লোকজনসহ বিভিন্ন পেশাজীবি প্রতিনিধি উপস্থিত অংশ নেন।