মিয়ানমারে কনসার্ট চলাকালে বিমান হামলায় নিহত ৩০

তিনটি জঙ্গি বিমান থেকে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর হামলায় সাধারণ মানুষ ও বিশিষ্ট স্থানীয় গায়করাসহ কাচিন ইন্ডিপেন্ডেন্স আর্মির (কেআইএ) কর্মকর্তারা নিহত হয়েছেন।
CPLUSTV
CTG NEWS
CPLUSTV
শেয়ার করুন

সিপ্লাস ডেস্ক: মিয়ানমারে জাতিগত সংখ্যালঘু একটি গোষ্ঠীর কনসার্ট চলাকালে সেনাবাহিনীর চালানো বিমান হামলায় অন্তত ৩০ জন নিহত হয়েছে।

স্থানীয় অধিবাসী, বিদ্রোহীদলগুলো এবং গণমাধ্যম সোমবার একথা জানিয়েছে।

মিয়ানমারের উত্তরাঞ্চলীয় কাচিন রাজ্যে রোববার রাতে এ হামলা চালানো হয়। এতে সাধারণ মানুষ ও বিশিষ্ট স্থানীয় গায়করাসহ কাচিন ইন্ডিপেন্ডেন্স আর্মির (কেআইএ) কর্মকর্তারা নিহত হয়েছেন।

তিনটি জঙ্গি বিমান থেকে হামলা চালানো হয়েছিল বলে প্রত্যক্ষদর্শীদের উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছে স্থানীয় গণমাধ্যম। তবে সেনাবাহিনী এই হামলার ঘটনা এখনও নিশ্চিত করে জানায়নি।

জান্তা সরকারের মুখপাত্রকে তাৎক্ষণিকভাবে মন্তব্যের জন্য পাওয়া যায়নি। বার্তা সংস্থা রয়টার্সও হামলার খবরের বিস্তারিত তাৎক্ষণিকভাবে যাচাই করে দেখতে পারেনি। হামলাটি হপাকান্ত শহরের এ নাং পা অঞ্চলে করা হয়েছিল বলে জানানো হয়েছে খবরে।

গত বছরের শুরুতে সেনা অভ্যুত্থানে অং সান সু চির নির্বাচিত সরকার উৎখাত হওয়ার পর থেকেই মিয়ানমারে সহিংসতা চলছে। এর মধ্যে জান্তা সরকারের বিরুদ্ধে দেশজুড়ে সশস্ত্র আন্দোলনও ঘটতে দেখা যাচ্ছে। এ আন্দোলন প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ করে দমন করছে সামরিক বাহিনী।

কেআইএ- এর মুখপাত্র নও বু বলেছেন, কাচিন সেনাবাহিনীর রাজনৈতিক শাখা ‘কাচিন ইন্ডিপেন্ডেন্স অর্গানাইজেশন’ (কেআইও) গঠনের ৬২ তম বার্ষিকী উদযাপন অনুষ্ঠানকে নিশানা করে বিমান হামলা চালানো হয়েছে।

ফোনে নও বু আরও বলেন, “এই বিমান হামলা ইচ্ছাকৃতভাবেই চালানো হয়েছে। কেআইএ/কেআইও হামলার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে। এটি খুব জঘন্য কাজ, যা যুদ্ধাপরাধ হিসাবেও গণ্য হতে পারে।” তবে তার সংগঠন এখনও নিহতের সংখ্যা নিশ্চিত করে জানাতে পারেনি।

মিয়ানমারে অভ্যুত্থানের পর থেকেই সেনাবাহিনী এবং এর ঘোর প্রতিপক্ষ কেআইএ- এর মধ্যে নতুন করে প্রকাশ্য সংঘাত শুরু হয়েছে। সংগঠনটি ছয় দশক ধরে কাচিন জনগণের জন্য বৃহত্তর স্বায়ত্তশাসনের জন্য লড়াই করছে এবং জান্তা-বিরোধী প্রতিরোধ আন্দোলনে সমর্থন জানিয়েছে।