মিরসরাইয়ে মাইক্রোবাসে ট্রেনের ধাক্কা: ঢাকা-চট্টগ্রাম রেল চলাচল বন্ধ

ছবি: সংগৃহীত
CPLUSTV
CTG NEWS
CPLUSTV
শেয়ার করুন

সিপ্লাস ডেস্ক: মিরসরাইয়ে মাইক্রোবাসে ট্রেনের ধাক্কার প্রায় দুইঘণ্টা পার হলেও এখনো রেললাইনেই রয়েছে মাইক্রোবাসটি। ফায়ার সার্ভিসের দুটি টিম প্রায় দুইঘণ্টা চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছে। ফলে ঢাকা-চট্টগ্রাম ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে।

মিরসরাই ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা ইমাম হোসেন পাটোয়ারী বলেন, ট্রেনের সঙ্গে এমনভাবে মাইক্রোবাসটি আটকে রয়েছে যে গ্যাস দিয়ে কাটার চেষ্টা করেও উদ্ধার করতে পারছি না। সীতাকুন্ড টিম আমাদের সঙ্গে যোগ দিয়েছে। কিন্তু কিছুতেই সম্ভব হচ্ছে না। বড় একটা জেনারেটর আনা হচ্ছে তারপর হয়তো কেটে উদ্ধার করা যাবে।

এর আগে শুক্রবার (২৯ জুলাই) দুপুর দেড়টার দিকে উপজেলার খৈয়াছড়া এলাকায় ট্রেনের ধাক্কায় পর্যটকবাহী মাইক্রোবাসের ১১ যাত্রী নিহত হন। হতাহতদের সবার বাড়ি চট্টগ্রামের হাটহাজারি উপজেলার আমান বাজারে।

মাইক্রোবাসে ১৩ যাত্রী ছিল। তারা খৈয়াছড়া ঝর্ণা দেখে ফেরার সময় ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা চট্টগ্রামগামী মহানগর প্রভাতীর ধাক্কায় মাইক্রোবাসের ১১ যাত্রী ঘটনাস্থলেই নিহত হন। দুইজন আহত হয়েছেন।

পূর্ব রেলের বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তা আনসার আলী জানান, ঢাকা থেকে চট্টগ্রামগামী মহানগর প্রভাতী ওই লেভেল ক্রসিং পার হওয়ার মুখে খৈয়াছড়াগামী একটি পর্যটকবাহী মাইক্রোবাস লাইনে উঠে পড়ে। সংঘর্ষের পর মাইক্রোবাসটি ট্রেনের ইঞ্জিনের সঙ্গে আটকে যায়, ওই অবস্থায় মাইক্রোবাসটিকে বেশ খানিকটা পথ ছেঁচড়ে নিয়ে থামে ট্রেন।

রেল কর্মকর্তা আনসার আলী বলেন, ট্রেন আসায় গেইটম্যান সাদ্দাম বাঁশ ফেলেছিলেন। কিন্তু মাইক্রোবাসটি বাঁশ ঠেলে ক্রসিংয়ে উঠে পড়ে।

তবে প্রত্যক্ষদর্শী মফিজুল হক জানান, দুঘর্টনার সময় গেইটম্যান ছিলেন না। তিনি জুম্মার নামাজ পড়তে মসজিদে গেছিলেন।