মিরসরাইয়ে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং এ ড্রেজার ডুবে নিখোঁজ ৮ শ্রমিক

ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং এর প্রভাবে মিরসরাইয়ের সমুদ্র উপকুলে ডুবে যাওয়া ড্রেজারের আট শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।
CPLUSTV
CTG NEWS
CPLUSTV
শেয়ার করুন

মিরসরাই প্রতিনিধি: ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং এর প্রভাবে মিরসরাইয়ের সমুদ্র  উপকুলে ডুবে যাওয়া ড্রেজারের আট শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মরদেহ উদ্ধার ফায়ার সার্ভিস ও ডুবরি কর্মীরা। মিরসরাইয়ে উপকুলবর্তী এলাকায় বালু তোলার কাজ করছিলেন এসব শ্রমিক। সোমবার মধ্যরাতে ড্রেজারটি ডুবে যায়। এরপর থেকে ড্রেজারের আট শ্রমিকের খোঁজ না মেলায় ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা উদ্ধার অভিযান শুরু করে মঙ্গলবার সকাল থেকে।

এর আগে উপজেলার ১৬ নম্বর সাহেরখালি ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ৩ নম্বর বসুন্ধরা এলাকায় বেড়িবাঁধ সংলগ্ন সাগরে বালু উত্তোলনের জন্য রাখা একটি ড্রেজারটি ডুবে যায়। বেড়িবাঁধ থেকে আনুমানিক এক হাজার ফুট দূরত্বে ছিল ড্রেজারটি।

প্রাথমিকভাবে নিখোঁজ সব শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করছেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। মারা যাওয়া শ্রমিকরা হলেন ইমাম মোল্লা, মাহমুদ মোল্লা, শাহীন মোল্লা, আল আমিন, মো. তারেক ও বাশার। এছাড়া অন্য দুজনের নাম জানা যায়নি। শ্রমিকদের সবার বাড়ি পটুয়াখালী সদর উপজেলার জৈনকাঠী এলাকায়।

ড্রেজারটি থেকে বেঁচে ফেরা শ্রমিক সালাম  জানান, ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের প্রভাবে তীব্র বাতাস ও ঢেউ ওঠায় সৈকত-২ নামে তাদের ড্রেজারটি মিরসরাই উপকূলের সন্দ্বীপ চ্যানেলে ডুবে যায়। ড্রেজারটির মালিক সৈকত এন্টারপ্রাইজ নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে মিরসরাইয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগরে নিয়োগ দিয়েছে বেপজা। ড্রেজারটিতে থাকা নয়জন শ্রমিকের মধ্যে তিনি কিনারে আসতে পারলেও বাকি আটজন শ্রমিক আটকা পড়েন।

মিরসরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: মিনহাজুর রহমান জানান, দুর্ঘটনার পরপরই অন্য শ্রমিকেরা নৌকা নিয়ে আটকে পড়া শ্রমিকদের উদ্ধারের চেষ্টা করেন। তখন তারা ভেতরে আটকা পড়া শ্রমিকদের মৃত অবস্থায় দেখেন। লাশ উদ্ধারে সাগরে ডুবুরি ও ফায়ার সার্ভিস দল একযোগে কাজ শুরু করেছে।