‘মন্ত্রীদের বক্তব্যই প্রমাণ করে তারা জনগণের সরকার নয়’

ছবি: সংগৃহীত
CPLUSTV
CTG NEWS
CPLUSTV
শেয়ার করুন

সিপ্লাস ডেস্ক: বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ মহাসচিব এম গোলাম মোস্তফা ভুইয়া বলেছেন, দেশের জনগণ নয় বরং ব্যবসায়ী আর লুটেরাদের স্বার্থ রক্ষায় ব্যস্ত বর্তমান সরকার। মন্ত্রীদের বক্তব্যই প্রমাণ করে তারা জনগণের সরকার নয়। জনগণের সুবিধা-অসুবিধার কোনো চিন্তাই তাদের মাথায় নেই।

সোমবার (৩০ মে) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশ ন্যাপ আয়োজিত ‘গ্যাস-বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির পাঁয়তারা বন্ধ: খাদ্যপণ্যের দাম কমাও-মানুষ বাঁচাও’ শীর্ষক মানববন্ধন কর্মসূচিতে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, যে সরকারের বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ব্যবসায়ীরা কথা রাখেন নাই’, মৎস্যমন্ত্রী বলেন, ‘জনগণ তিনবেলা গরুর মাংস খেতে পারে’, তখন বুঝতে হবে সরকারের অধিকাংশ মন্ত্রীদের সঙ্গে জনগণের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা শুধু লুটেরাদের স্বার্থ রক্ষায় ব্যস্ত। লুটেরাদের অবস্থান দেখে তারা জনগণের অবস্থা বিচার করছে।

দেশে গণতন্ত্র নেই, মানুষের ভোটের অধিকার নেই উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, এ দেশের মানুষ দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতিতে কুপোকাত। সরকার দ্রব্যমূল্যের এই উর্ধ্বগতি থামাতে পারছে না। কেননা সরকারের পরিচালিত সিন্ডিকেটই মূল্য বৃদ্ধি করেছে। তাই সরকার এই দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির সঙ্গে জড়িত।

‘দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি রোধ করতে না পারলেও নতুন করে গ্যাস আর বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর মাধ্যমে তারা এখন জনগণের পকেট কাটার পায়তারা করছে।’

ন্যাপ মহাসচিব বলেন, গ্যাস-বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি হলে বহুগুণিতক হারে সব পণ্যের দাম বাড়বে। এটি সাধারণ মানুষের জীবনকে দুর্বিষহ করে তুলবে। এমনিতেই দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ইতিহাসের সব রেকর্ড ভঙ্গ করেছে।

‘বাজার অর্থনীতি অব্যাহত রেখে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। মানুষের ন্যূনতম বেঁচে থাকার জন্য যতটুকু প্রয়োজন, সেই ক্রয়ক্ষমতাও তাদের নাগালের বাইরে চলে গেছে।’

 

‘সরকারের আচরণেই প্রমাণিত হয়, এই সরকার দুর্নীতিবাজ, আমলা, লুটেরা রাজনীতিবিদ ও সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীদের প্রতিনিধিত্ব করে। জনগণের কাছে এরা দায়বদ্ধ নয়।’

‘দুর্নীতি, লুটপাট, ঋণখেলাপিদের দৌরাত্ম, টাকা পাচার আর মেগা প্রজেক্ট দেশকে সংকটের দিকে নিয়ে যাচ্ছে।’

মানববন্ধনে বক্তব্য দেন এনডিপি মহাসচিব মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা, সাধারণ নাগরিক সমাজের আহ্বায়ক মহিউদ্দিন আহমেদ, সোনার বাংলা পার্টির সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ হারুন-অর-রশীদ, লেবার পার্টি মহাসচিব আবদুল্লাহ আল মামুন, বাংলাদেশ ন্যাপ ভাইস চেয়ারম্যান স্বপন কুমার সাহা, সাংগঠনিক সম্পাদক ও মহানগর সভাপতি মো. কামাল ভুইয়া, জাতীয় জনতা ফেরামের সভাপতি মুহম্মদ অলিদ সিদ্দিকী তালুকদার, ঢাকা মহানগর সহ-সভাপতি শফিকুল আলম শাহীন, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান, প্রচার সম্পাদক বাদল দাস, জাতীয় নারী আন্দোলনের সহ-সভাপতি জীবন নাহার, আসমা মল্লিকা ও যুগ্ম সম্পাদক মির্জা তাহমিনা রহমান প্রমুখ।