মক্কা-মদিনা রোড়ে দুর্ঘটনাকবলিত সেই বাস ১১-জন বাংলাদেশিও ছিলেন

CPLUSTV
CTG NEWS
CPLUSTV
শেয়ার করুন

গত ১৬ অক্টোবর সৌদি আরবের স্থানীয় সময় সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় রাজধানী রিয়াদ থেকে আসা উমরাহ যাত্রী বাহি একটি বাস মদিনা জেয়ারাহ শেষে মক্কার উদ্দেশ্যে আসার পথে মদিনা শহর থেকে আনুমানিক ১৯০ কিলোমিটার দূরে আল আকহাল নামক স্থানে রাস্তা সংস্কারের কাজে নিয়োজিত একটি ভারী যান ধাক্কা দিলে বাসটিতে আগুন লেগে যায়।

রিয়াদের বাথা এলাকার দার আল মিকাত উমরাহ অফিস থেকে ছেড়ে যাওয়া গাড়িতে ৪০ জন উমরাহ যাত্রী ছিলেন।

যাদের মধ্যে ৩৬ জন দুর্ঘটনাস্থলে মারা যান,আহত হন বাকি ০৪ জন।

আজ শনিবার ১৯ অক্টোবর বেলা ১১ টায় বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেদ্দা’র শ্রম কল্যাণ উইং এক বিজ্ঞপিতে জানিয়েছেন দুর্ঘটনাকবলিত গাড়িতে ১৩ জন বাংলাদেশি ছিলেন,যাদের ০২ জন মদিনায় অবতরণ করেছেন,বাকি ১১ জন মক্কা’র যাত্রী হিসেবে বাসটিতে ছিলেন। যেহেতু আহত ৪ জনের মধ্যে কোন বাংলাদেশী নেই ধারণা করা হচ্ছে ১১ জন ই নিহত হয়েছেন, প্রাথমিক ভাবে শুধু মাত্র ১০ জন এর নাম সংগ্রহ করা গেলে ও বাস কর্তৃপক্ষ ইকামা নাম্বার বা অন্যানো কোন তথ্য দিতে পারেনি বলে জানিয়েছে রিয়াদ বাংলাদেশ দূতাবাস।

কর্তৃপক্ষ আরো জানায় সার্বিক অবস্থা পর্যালোচনা করে দেখা যাচ্ছে যে ডি এন এ টেস্ট ছাড়া কোন ভাবেই মৃত ব্যক্তিদের পূর্ণাঙ্গ তথ্য পাওয়া সম্ভব না,অন্যদিকে মদীনাস্থ আল মীকাত হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলেছেন তাদের দেহ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে,তাদের ডি এন এ নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে,তাদের পরিবারের কোন আত্মীয় স্বজন যোগাযোগ করলে পরিচয় সনাক্তের উদ্যোগ নেয়া হবে,তবে মৃতদেহ নিজ দেশে বহন উপযোগী নয় বলে জানিয়েছেন তারা।

অন্যদিকে মদীনাস্থ ট্রাফিক অফিস জানায় বাসটির চালক ছিলেন সিরিয়ান নাগরিক সেই সাথে বাসটির কোন বীমার আওতায় না থাকায় কোন ধরণের মৃত্যুজনিত ক্ষতিপূরণ পাওয়ার সম্ভাবনা নেই।

জেদ্দা বাংলাদেশ কনস্যুলেট থেকে এখনো কারো নাম প্রকাশ না করলে ও একটি বিশেষ সূত্রে ৬জনের নাম পাওয়া গেছে তারা হলেন, মোকতার হোসেন, হুমায়ুন কবির, নাসির, রুহুল আমিন, মানু মিয়া, সাকিব। বাকি ৫ জনের পরিচয় নিশ্চিত করতে কাজ চলছে।