ভর্তি পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের নানাবিধ ভোগান্তি দূর করতে মাঠে চুয়েট ছাত্রলীগ

CPLUSTV
CTG NEWS
CPLUSTV
শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) ভর্তি যুদ্ধ আগামীকাল ১২ অক্টোবর। এই ভর্তি যুদ্ধে অংশ নেওয়া পরীক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের নানাবিধ ভোগান্তি দূর করতে গত বছরের ন্যায় এবারও মাঠে থাকছেন চুয়েট ছাত্রলীগের স্বেচ্ছা সেবক টিম।

১১ অক্টোবর সন্ধ্যা হতে চট্টগ্রাম নগরীর আটটি স্থানে থাকছে চুয়েট ছাত্রলীগের হেল্প ডেস্ক। এইসব হেল্প ডেস্কে ছাত্রলীগের কর্মীরা আগত পরীক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের যানবাহন ভোগান্তি দূর করতে সহযোগিতা করবেন এবং ক্যাম্পাসের পথ নির্দেশনা দিবেন। এসকল অস্থায়ী ক্যাম্পগুলো হলো নগরীর কদমতলী রেল স্টেশন, এ কে খান, গরীবুল্লাহ শাহ মাজার(দামপাড়া), জিইসি মোড়, অক্সিজেন মোড়, বহদ্দারহাট, কাপ্তাই রাস্তার মাথা ও কুয়াইশ রাস্তার মাথা। এছাড়াও ক্যাম্পাসের মূল ফটকে থাকবে মূল ক্যাম্প। এসব তথ্য নিশ্চিত করে চুয়েট ছাত্রলীগের সভাপতি সৈয়দ ইমাম বাকের বলেন, পরীক্ষার দিন আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর সাথে যানজট নিরেসনে কাজ করবেন চুয়েট ছাত্রলীগের কর্মীরা। ইতোমধ্যে আমরা ক্যান্টেন গুলোর সাথে আলোচনা করে খাবারের মূল্য তালিকা নির্ধারণ করেছি। চুয়েট গেইটের বাইরের খাবারের দোকানগুলোতে খাবারের মূল্য নিয়ন্ত্রণে দোকানদারদের সাথে কথা বলে নিশ্চিত করেছি। এছাড়া যে সব পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষার আগের দিন অর্থাৎ ১১ অক্টোবর ক্যাম্পাসে উপস্থিত হবে তাদের জন্য ক্যাম্পাসের ছয়টি আবাসিক হলে আবাসনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। আবাসিক হলে অবস্থানকারী ভর্তি পরীক্ষার্থীদের সার্বিক সহযোগিতায় প্রতিটি হলে ছাত্রলীগের ত্রিশ জনের স্বেচ্ছাসেবক টিম উপস্থিত থাকবে। ভর্তি পরীক্ষার দিন ক্যাম্পাসের সামনের পাহাড়তলী,ক্যাম্পাসের গেইট এবং ক্যাম্পাসের গোলচত্বরে ভর্তি পরীক্ষাদের যেকোনো দিক-নির্দেশনা প্রদানের জন্য ক্যাম্পাসের ভেতরে আরো একটি হেল্প-ডেস্ক থাকবে এবং সেখান থেকে ছাত্রলীগের স্বেচ্ছাসেবক টিম সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করবেন। ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া পরীক্ষার্থীদের শুভেচ্ছা স্বরূপ ছয় হাজার কলম ও পানির বোতল বিতরণ করা হবে।

তিনি আরো জানান, ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে আসা শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকরা যানবাহন সমস্যা, পথ নির্ণয়ের সমস্যা, থাকার সমস্যা, খাবারের সমস্যাসহ নানাবিধ ভোগান্তির সম্মুখীন হতে হয়। এইসব ভোগান্তি দূর করতে গত বছর হতে আমরা এই উদ্যোগ নিয়েছি। উল্লেখ্য, এবারের ভর্তি পরীক্ষায় ১২টি বিভাগে ভর্তির জন্য নিয়মিত ৮৯০ আসনের (১১ টি উপজাতি কোটাসহ মোট ৯০১ আসন) বিপরীতে মোট ১০ হাজার ৯৭২ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করবেন। এরমধ্যে ক গ্রুপে (ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগসমূহ এবং নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগ) মোট ১০ হাজার ৩১ জন এবং খ গ্রুপে (ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগসমূহ, নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগ এবং স্থাপত্য বিভাগ) মোট ৯৪১ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করবেন।