বেজোস-মাস্ক-জাকারবার্গদের রাতারাতি কাঁড়ি কাঁড়ি ডলার হাওয়া 

জেফ বেজোস, মার্ক জাকারবার্গ ও ইলন মাস্ক (বাঁ থেকে)।
CPLUSTV
CTG NEWS
CPLUSTV
শেয়ার করুন

সিপ্লাস ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ ধনকুবেররা রাতারাতি ৯ হাজার ৩০০ কোটি ডলারের সম্পদ খুইয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের ধারণার চেয়ে বেশি মূল্যস্ফীতির তথ্য পুঁজিবাজারে নেতিবাচক প্রভাব ফেললে গত মঙ্গলবার এমন ক্ষতির মুখে পড়েন তাঁরা। এক দিনের লোকসান হিসাবে এটি এ যাবৎকালের নবম সর্বোচ্চ।

এনডিটিভিতে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, সবচেয়ে বেশি সম্পদ খুইয়েছেন আমাজনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) জেফ বেজোস। এক দিনে তাঁর সম্পদ কমেছে ৯৮০ কোটি ডলার। টেসলার প্রতিষ্ঠাতা ইলন মাস্কের সম্পদ কমেছে ৮৪০ কোটি ডলার। ৫৬০ কোটি ডলারে সম্পদ হারিয়েছেন ফেসবুকের মূল প্রতিষ্ঠান মেটার সিইও মার্ক জাকারবার্গ।

আরেক মার্কিন ধনকুবের ল্যারি পেজ ৫২০ কোটি ডলার খুইয়েছেন। সের্গেই ব্রিন, স্টিভ বালমার ও বার্নার্ড অরনল্ট ৪০০ কোটি ডলারের বেশি সম্পদ হারিয়েছেন। ধনকুবের ওয়ারেন বাফেট ও বিল গেটসের সম্পদ যথাক্রমে ৩৪০ কোটি ও ২৮০ কোটি ডলার কমেছে।

মার্কিন পুঁজিবাজারে ব্যাপক শেয়ার বিক্রির ফলে এই লোকসান গুনতে হচ্ছে ধনকুবেরদের। কারণ, বিনিয়োগকারীদের বাজি হলো—মূল্যস্ফীতি ধারণার চেয়ে বেশি হওয়ায় ফেডারেল রিজার্ভ আরও আক্রমণাত্মকভাবে সুদহার বাড়াবে।

এসঅ্যান্ডপি ৫০০–এর পতন হয়েছে ৪ দশমিক ৪ শতাংশ, যা ২০২০ সালের জুনের পর সর্বোচ্চ। নাসডাক ১০০–এর সূচক ৫ দশমিক ৫ শতাংশ কমেছে, যা ২০২০ সালের মার্চের পর সর্বোচ্চ। ওই সময় এই পুঁজিবারের সূচকের ১২ শতাংশের বেশি পতন হয়েছিল।

পুঁজিবাজার ও ধনকুবেরদের সম্পদের জন্য চলতি বছরের ধারাবাহিক বাজে দিনগুলোর মধ্যে এটি সর্বশেষ। শুধু জুন মাসে ফেডারেল রিজার্ভের চেয়ারম্যান জেরোম পাওয়েলের আট মিনিটের একটি বক্তৃতার পর এই ধনকুবেররা ৭ হাজার ৮০০ কোটি ডলার খুইয়েছেন।

সর্বোপরি চলতি বছরের শুরু দিকে বিশ্বের ৫০০ সবচেয়ে ধনীর যে পরিমাণ সম্পদ ছিল, এখন তা থেকে ১ দশমিক ২ ট্রিলিয়ন ডলার কম আছে। জাকারবার্গ ৬ হাজার ৮৩০ কোটি ডলার খুইয়েছেন, যা তাঁর সম্পদের ৫৪ ভাগ। বিন্যান্সের সিইও চাংপেং ঝাও ৬ হাজার ১০০ কোটি ডলার খুইয়েছেন, যা তাঁর সম্পদের ৬৪ শতাংশ।