বালু খেকোদের খুঁটির জোর কোথায়? জনমনে আতংক

বালু খেকোদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করেও প্রশাসন তাঁদের অবৈধ বালু উত্তোলন ও পাহাড়া কাটা বন্ধ করতে পারছে না।
CPLUSTV
CTG NEWS
CPLUSTV
শেয়ার করুন

লোহাগাড়া প্রতিনিধি: চট্টগ্রাম লোহাগাড়া উপজেলায় চুনতি ইউনিয়নে চলছে অবৈধ বালু খেকোদের মহা উৎসব। এসব বালু খেকোদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করেও প্রশাসন তাঁদের অবৈধ বালু উত্তোলন ও পাহাড়া কাটা বন্ধ করতে  পারছে না। এসব বালু খেকোদের খুঁটির জোর কোথায়? স্থানীয় জনসাধারণের মনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে বালু খেকোদের ক্ষমতার উৎস নিয়ে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চুনতি মিরখিল এলাকার পাহাড় ঘেঁষে যাওয়া পাগলী খাল থেকে দিনের পর দিন ড্রেজার মেশিন ও স্কেভেটর দিয়ে  অবৈধভাবে লক্ষ লক্ষ টাকার বালু উত্তোলন করে বিক্রয় করছে বালু খেকোররা। ফলে এলাকার গ্রামীণ সড়ক গুলো যেমন নষ্ট হচ্ছে তেমনি সরকার হারাচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকার রাজস্ব।

বালু খেকোরা প্রভাবশালী হওয়াতে স্থানীয়রা কেউ তাঁদের বিরুদ্ধে ভয়ে মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছে না।

এছাড়াও পাহাড়, কৃষি জমি ও পাহাড়ের বুক ছিড়ে বয়ে যাওয়া খাল হতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে প্রশাসনের ভয়ে আরকান সড়কের পাশে চুনতি ফরেস্ট গেইট নামক স্থানে নিয়ে এসে জমা করে। তারপর সেখান থেকে বালু বিক্রয় করে। এভাবে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে বালু ব্যবসা করে যাচ্ছে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহল।

চুনতি ইউনিয়ন ছাড়াও লোহাগাড়ার বিভিন্ন ইউনিয়নে বালু খেকোরা সাধারণ মানুষের কথা তোয়াক্কা না করে ইজারা বিহীন খাল হতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে থাকে। এসব বালু খেকোদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে ভবিষ্যতে তাঁরা আরো বেশি বেপরোয়া হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করেন অনেকে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শরীফ উল্যাহ’র সাথে কথা বললে তিনি বলেন, অবৈধভাবে বালু উত্তোলন কারিদের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত আছে। খোঁজখবর নিয়ে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।