বাংলাবাজার ঘাটে ২১ জেলার মানুষের চাপ

ছবি: সংগৃহীত
CPLUSTV
CTG NEWS
CPLUSTV
শেয়ার করুন

সিপ্লাস ডেস্ক: ঈদ শেষে বাংলাবাজার-শিমুলিয়া নৌরুট দিয়ে কর্মস্থলে ফিরতে শুরু করেছেন দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলার মানুষ। শুক্রবার বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘাটটিতে ঢাকামুখী যাত্রীর চাপ বেড়েছে দ্বিগুণ।এদিকে বাস, মিনিবাস ও স্পিডবোটে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করার অভিযোগ করেছেন যাত্রীরা।

নড়াইল থেকে আসা যাত্রী সাজ্জাদ করিম জানান, স্পিডবোটে ১৫০ টাকার স্থলে ১৮০ টাকা থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত ভাড়া নেওয়া হচ্ছে।বরিশালের যাত্রী রিফাত হোসেন জানান, বরিশাল থেকে বাংলাবাজার ঘাটের ভাড়া ২০০ টাকা। কিন্তু ঘাটে আসতে সাড়ে ৩শ থেকে ৪শ পর্যন্ত ভাড়া আদায় করছে।

সরেজমিন দেখা যায়, শুক্রবার সকাল থেকেই লোকাল বাস, মিনি ট্রাক, মাইক্রো, থ্রি-হুইলার ও মোটরসাইকেলে বাংলাবাজার ঘাটে আসছেন যাত্রীরা। পরে ফেরি, লঞ্চ ও স্পিডবোটে পদ্মা পাড়ি দিচ্ছেন। ঘাটে যাত্রীর চাপ বেশি থাকায় লঞ্চে অতিরিক্ত যাত্রী পারাপার করতে দেখা গেছে। এছাড়া ব্যক্তিগত মালিকানা গাড়ি ও মোটরসাইকেল পার হচ্ছে ফেরিতে। মোটরসাইকেলের ব্যাপক চাপ রয়েছে বাংলাবাজার ৪ নম্বর ফেরিঘাটে।

ঈদ শেষে পরিবার-পরিজন নিয়ে ঢাকার উদ্দেশে ফিরে যাচ্ছেন দক্ষিণাঞ্চলের যাত্রীরা। তবে ঘাটে পারাপারের অপেক্ষায় আছে শতাধিক ব্যক্তিগত যানবাহন। এই রুটে ৬টি ফেরি, ৮৬টি লঞ্চ ও শতাধিক স্পিডবোট চলাচল করছে। ঘাট এলাকায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ, র‌্যাবসহ পর্যাপ্ত সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দায়িত্ব পালন করছেন।খুলনা থেকে আসা যাত্রী লুৎফর রহমান বলেন, ঈদে পরিবারের সঙ্গে ঈদ শেষে ঢাকার কর্মস্থলে ফিরে যাচ্ছি। ঘাটে ফেরি সংকট তাই দীর্ঘসময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। ঘাট এলাকায় কড়া রোদে দুর্ভোগে পড়েছি।

বিআইডব্লিউটিসির বাংলাবাজার ঘাট ম্যানেজার মো. সালাউদ্দিন আহমেদ জানান, ঈদের ছুটি শেষে ঢাকাগামী যাত্রীদের চাপ বেড়েছে বাংলাবাজার-শিমুলিয়া নৌরুটে। সকাল থেকেই যাত্রীরা বাংলাবাজার ঘাটে এসে জড়ো হচ্ছেন। শিমুলিয়া-বাংলাবাজার-মাঝিকান্দি রুটে মোট ১০টি ফেরি দিয়ে পারাপার করা হচ্ছে।