বাংলাদেশ সীমান্তে সড়কের কাজ চলছে, সীমান্ত দিয়ে মাদক,রোহিঙ্গা ঢুকতে দেওয়া হবে না-বিজিবি মহাপরিচালক

CPLUSTV
CTG NEWS
CPLUSTV
শেয়ার করুন

কক্সবাজারের সেন্টমার্টিনে রোহিঙ্গা ও ইয়াবার চালান ঠেকাতে তৎপরতা বাড়ানো হবে।

পাশাপাশি সীমান্তে সু-রক্ষায় যে কোন পরিস্থিতি মোকাবেলায় জলপথে নৌযান বৃদ্ধির পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন বর্ডারগার্ড বাংলাদেশে(বিজিবি)’র মহাপরিচালক মেজর জেনারেল সাফিনুল ইসলাম।

মঙ্গলবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুর আড়াইটার দিকে সেন্টমার্টিন বিওপি পরিদর্শন করেন।

এর আগে তিনি দুপুর ১ টায় ২৪ মিনিটে নৌবাহিনীর একটি হেলিকপ্টার যোগে তিনি বাংলাদেশ নৌবাহিনী ফরওর্য়াড বেইজ সেন্টমার্টিনে পৌছেন। সেখান থেকে তিনি মোটর সাইকেল চালিয়ে বিজিবির বিভিন্ন সীমান্ত চৌকি পরিদর্শন করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, কক্সবাজার রামু সেনানিবাসের জিওসি মেজর জেনারেল মাইন উদ্দিন চৌধুরী, বিজিবি কক্সবাজার রিজিয়ান কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাজেদুল রহমান,সেক্টর কমান্ডার মনজরুল হাসান খান,টেকনাফের ২ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ ফয়সাল হাসান খান,অপারেশন অফিসার মেজর রুবায়াৎ কবীরসহ কোস্টগার্ড ও নৌবাহিনীর কর্মকর্তারা সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

সেন্টমার্টিনকে মিয়ানমারের অংশ দাবি করা নিয়ে বিজিবির মহা পরিচালক বলেন, হয়তোবা মিয়ানমার অজ্ঞাত বসত এটি বলছে। আন্তর্জাতিক সীমানা রেখা অনুযায়ী সেন্টমার্টিন বাংলাদেশের। খুব কম সীমান্তের সু-রক্ষায় বিজিবি সেন্টমার্টিনে টহল জোরদার করবে। সে লক্ষ্য কাজ চলছে।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ সীমান্তের সড়কের কাজ চলছে। সীমান্ত দিয়ে কোন রোহিঙ্গা ঢুকতে দেওয়া হবে না। এছাড়া বিজিবির তৎপরতায় অনেকটা চোরা চালাসহ বিভিন্ন অপরাধ কমে এসেছে।

তিন দাবি করেন, নাফনদী দিয়ে ইয়াবা পাচার রোধে অনেক সফলতা পেয়েছে বিজিবি, ইয়াবা পাচার কমে এসেছে। আগের তুলনায় ইয়াবা পাচার নিয়ন্ত্রণে এসেছে। পাশাপাশি ইয়াবার বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে মিয়ানমারের সঙ্গে স¤প্রতি সময়ে উচ্চ পর্যায়ে এক বৈঠকে মিয়ানমার সঙ্গে আলোচনা হয়েছে।