ফটিকছড়িতে ১০৯টি মন্ডপে দুর্গোৎসবের শেষ মূহুর্তের প্রস্তুতি চলছে

CPLUSTV
CTG NEWS
CPLUSTV
শেয়ার করুন

ফটিকছড়িতে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গা পূজার শেষ মূহুর্তের প্রস্তুতি চলছে।

দুর্গাকে সাজাতে রাত দিন কাজ করছেন প্রতিমা তৈরির কারিগররা। এখন চলছে রঙের কাজ।

আগামী ৪ অক্টোবর থেকে ষষ্ঠীপূজার মাধ্যমে দুর্গাপূজা শুরু হলেও মূলত ৫ অক্টোবর শনিবার থেকেই পূজার্থীরা দুর্গাপূজার আগমণধ্বনি শুনতে পাবেন।

এবার দেবী দুর্গা তার ভক্তদের মাঝে আসবেন নৌকায় চড়ে, ফিরবেন ঘোড়ায়। পূজারিরা জানিয়েছেন। নির্বিঘ্নে এ উৎসব সম্পন্ন করতে মন্দির ভিত্তিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার পাশাপাশি নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রস্তুতি নিয়েছে প্রশাসন।

নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একাধিক সমন্বয় সভা করেছে প্রশাসন।

এবার ফটিকছড়ি উপজেলায় এবার ১০৯টি মন্ডপে শারদীয় দূর্গাপুজা অনুষ্ঠিত হবে।

নাজিরহাট পৌরসভা, ফটিকছড়ি পৌরসভা এবং ভূজপুর এর কয়েকটি মন্ডপ পরিদর্শন করে দেখা গেছে, দিন-রাত মিলে চলছে রঙের প্রলেপ ও অঙ্গসজ্জার কাজ। দেবীর মর্তে আগমনের আগেই শেষ করতে হবে এ কাজ। তাই কাজের চাপে দম ফেলার ফুসরত নেই কারিগরদের।

কারিগররা বলেন,রঙের কাজ আপাতত শেষ। এখন চোখের কাজ করছি। এখন আমাদের প্রচুর কাজের চাপ। আমরা রাত ১-২ টা পর্যন্ত কাজ করছি। ঠাকুরকে গয়নাগাটি, চুল এগুলো পড়ানো শেষ হলেই কাজ শেষ।

পূজা উদযাপন পরিষদ ফটিকছড়ি উপজেলা শাখার সভাপতি মাষ্টার রতন কান্তি চৌধুরী বলেন, সবগুলো মন্ডপে প্রস্তুতি প্রায় শেষ। এখন চলছে ডেকোরেশন বা আলোকসজ্জার কাজ। প্রশাসনের পাশাপাশি স্থানীয় পুজা কমিটির সদস্যদের নিয়ে স্বেচ্ছাসেবক টিম গঠন করে নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছে।এছাড়া আমাদের উপজেলা কমিটির একটি মনিটরিং টিম সার্বক্ষণিক খবরাখবর রাখবে।

ভূজপুর পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি পন্ডিত লিংকন চক্রবর্তী বলেন, প্রতি বছরের ন্যায় আমাদের দুর্গোৎসব অনুষ্ঠান জাঁকজমকপূর্ণভাবে করার জন্য পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। আমরা বিশ্বাস করি প্রতিবারের মত এবারেও নির্বিঘ্নে শারদীয় দুর্গা উৎসব সম্পন্ন হবে। এছাড়া দুর্গা উৎসবকে শান্তিপূর্ণভাবে সমাপ্ত করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে বলে জানালেন জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (হাটহাজারী সার্কেল) আব্দুল্লাহ আল মাসুম।

তিনি বলেন, প্রতিটি মন্ডপে আনসার ও গ্রাম পুলিশের পাশাপাশি আমাদের আইন-শৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া ইউনিয়ন ভিত্তিক আমাদের মোবাইল টিম মাঠে থাকবে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ সায়েদুল আরেফিন বলেন, শারদীয় দুর্গোৎসব নির্বঘ্নে করতে প্রশাসন সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়েছে। আশাকরছি এ উৎসবটা খুব ভালোভাবে শেষ করতে পারব। প্রশাসনের পক্ষ থেকে ১০৭ টি মন্ডপের জন্য ৫৩. ৫ মেট্টিক টন জি আর চাউল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।