পাঁচলাইশ থানার সাবেক ওসি মহিউদ্দিন মাহমুদসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা

CPLUSTV
CTG NEWS
CPLUSTV
শেয়ার করুন

বিনা অভিযোগে এক ব্যক্তিকে থানা হেফাজতে আটক রেখে পরদিন সেই ব্যক্তিকে ইভটিজিং এর অভিযোগ সাজিয়ে ভ্রাম্যমান ম্যাজিস্ট্রেডের নিকট হাজির করিয়ে ৩ মাসের সাজা দেয়ার ঘটনায় পাঁচলাইশ মডেল থানার তৎকালিন ওসি মহিউদ্দিন মাহমুদ ও বর্তমানে একই থানায় কর্মরত এস,আই আবু তালেব সহ চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেছে ভুক্তভোগি রুবায়েত সায়েম৷

আজ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শফি উদ্দিনের আদালতে ভূক্তভোগীর পক্ষে মামলার আবেদনে অংশ নেয়া আইনজীবি চট্টগ্রাম বারের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হলেন মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন চৌধুরী সিপ্লাসকে জানান, ২০১৭ সালের ১০ এপ্রিল সায়েমকে তার বাসা থেকে আটক করে র‍্যাবের সহায়তায় আটক করে পাঁচলাইশ থানায় আটক করে রেখে পরদিন ১১ এপ্রিল এস আই তালেবকে দিয়ে থানা থেকে সায়েমকে প্রবর্তক মোড়ে নিয়ে গিয়ে ইভটিজিং এর মিথ্যা নাটক সাজিয়ে ভ্রাম্যমান ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে উপস্থাপন করে৷ অভিযোগে ১২ এপ্রিল সকাল ১১টায় সুমি নামের এক মেয়েকে ইভটিজিং করেছে দেখানো হয়৷ ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত অভিযোগে সায়েমকে তিন মাসের কারাদন্ড দিয়ে কারাগারে প্রেরণ করে৷ পরবর্তিতে মামলাটি থেকে সায়েম বেকসুর খালাস পায় বলে জানান এডভোকেট নাজিম৷ সেই ঘটনায় থানার তৎকালিন ওসি মহিউদ্দিন মাহমুদ অনৈতিক লেনদেনের মাধ্যমে সায়েমকে ফাঁসিয়ে দিয়েছে মর্মে তথ্য মিলেছে। আজ বিজ্ঞ আদালত ৪জনের বিরুদ্ধে করা আমাদের অভিযোগটি গ্রহণ করে বিষয়টি তদন্ত করতে ডিবি পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছেন৷

ভূক্তভোগী সায়েম সিপ্লাসকে জানান, মামলার প্রধান আসামী সুমির দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিলো৷ কিন্তু এক পর্যায়ে মেয়ের বড় ভাই কামরুল এই সম্পর্ক মেনে নিতে না পেরে নানান ভাবে সায়েমকে হুমকি ধমকি দিতে থাকে৷ একপর্যায়ে ২০১৭ সালের ১০ এপ্রিল আমাকে বাকলিয়া কেবি আমান আলি রোড় থেকে কামরুল নিজে উপস্থিত থেকে র‍্যাবের মাধ্যমে আটক করে৷ আটকের সময় র‍্যাব জানায় পাঁচলাইশ থানার ওসির বলেছে সায়েমের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ আছে৷ আটকের পর ১০ এপ্রিল আমাকে থানায় নিয়ে সারাদিন আটকে রাখে। এসময় ওসি মহিউদ্দিন মাহমুদ ও এস আই তালেব সুমির সাথে আমার সব ছবি ও চ্যাট ডিলিট করে দেয়৷ এসময় আমার মামা বাঁশখালীর এমপি মুস্তাফিজ একাধিকবার ওসি মহিউদ্দিন মাহমুদের সাথে কথা বলে৷ পরদিন এস আই তালেব সকাল ১১টায় থানা লকাপ থেকে পুলিশ পিকাপে করে প্রবর্তক মোড়ে নিয়ে যায় সেখানে আগে থেকেই সুমি ও তার ভাই কামরুল উপস্থিত ছিলো। এরপর সেখানে ভ্রাম্যমান ম্যাজিস্ট্রেট এসে উপস্থিত হলে এস আই তালেব সুমিকে ইভটিজিং করার সময় আমাকে হাতেনাতে ধরেছে বলে ম্যাজিস্ট্রেটকে জানান৷ ম্যাজিস্ট্রেট আমাকে তিনমাসের সাজা দিয়ে কারাগারে পাঠায়৷