পাঁচলাইশ থানার নাজির পাড়ায় প্রবাসীর বাড়ীতে দুর্ধর্ষ চুরি ; খোয়া গেছে ৭৩ ভরি স্বর্ণ ও নগদ টাকা

CPLUSTV
CTG NEWS
CPLUSTV
শেয়ার করুন

নগরীর পাঁচলাইশ থানাধিন নাজির পাড়া, রাজা ম্যানসনের ৬ তলা ভবনের ২য় তলার বাসায় রহস্যজনক দূর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেছে৷ এসময় বাসায় রাখা অন্তত ৭৩ ভরী স্বর্ণ, নগদ ৬০ হাজার টাকা ও একটি মোবাইল চুরি হয় বলে জানা গেছে।

নাজির পাড়া মন্দির রোডে অবস্থিত ৬তলা বাড়ীটির ২য় তলা বাড়ীর মালিক প্রবাসী আব্দুর সবুরের পরিবার বসবাস করতো৷

ধারণা করা হচ্ছে শুক্রবার দিবাগত রাত ২টা থেকে সকাল ৬টার মধ্যে বাড়ীর দক্ষিণ পাশ্বের একটি কক্ষের জানালার গ্রীল কেটে বাসায় প্রবেশ করে বেড রুমের আলমিরা খুলে এই চুরি সংঘটিত করে বলে ধারণা করা হলেও৷ এসময় বাসায় বাড়ীর মালিকের স্ত্রী, ছেলে ও অপর এক নারী আত্মীয় ও তার কন্যা ছিলো৷

বাড়ির মালিকের ছেলে সিপ্লাসকে জানান, গতরাত সাড়ে এগারোটা নাগাদ তার মা ও চাচি বেড রুমের ঘুমাতে যান৷ গরম লাগার কারণে চাচির মেয়ে সহ তারা বেড রুমের ফ্লোরে ঘুমাচ্ছিলেন৷ সে নিজেও রাত দুইটা নাগাদ নিজ রুমে ঘুমিয়ে পড়ে৷ সকালে চাচির ডাকাডাকিতে ঘুম ভেঙ্গে দেখে তার মায়ের বেড় রুমের কাঠের আলমিরার মাঝের দরজাটি খোলা৷ এসময় তার মা ফ্লোরে ঘুমাচ্ছিলো। পরে তাকে ডাকাডাকি করলে তিনি জেগে উঠেন। এরপর পাশের স্টাডি রুমে গিয়ে রুমের জানালার গ্রিলের মাঝের অংশটি নেই। সেই রুমের ফ্লোরে বেড রুমের আলমিরা থেকে আনা অলংকারের খালি বক্স ও অন্যান্য জিনিস পত্র পড়ে আছে। সকালে তার মায়ের বেড রুমে ঢোকার সময় এক ধরণের গন্ধ নাকে লেগেছিলো বলেও জানান তিনি।

বাড়ির মালিকের স্ত্রীর দাবী, তার খাটের ওপরে একটি ওড়নায় আলমিরার চাবিটি বাঁধা ছিলো। চোর ফ্লোরে তাদের ঘুমন্ত অবস্থায় ডিঙ্গিয়ে খাটের ওপর থেকে আলমিরার চাবিটি নিয়ে শুধুমাত্র আলমিরার মাঝের দরজা খুলে স্বর্ণালংকার ও অর্থ চুরি করে৷

সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে আলমিরার খোলা অংশের অন্যান্য কাপড় চোপড় ভাজে ভাজে সাজানো রয়ে গেছে। কেবলমাত্র সেখানে স্বর্ণ ও নগদ অর্থ ছিলো সেগুলোকে টার্গেট করে চুরি করা হয়েছে৷ ভবনটিতে একাধিক সিসিটিভি ক্যামরা থাকলেও বাড়ীর যে অংশে সিসিটিভি ক্যামরা নেই সেই অংশের জানালার গ্রিল কাটা হয়েছে৷

এই ব্যাপারে পাঁচলাইশ মডেল থানার ওসি আবুল কাশেম ভূইয়ার সাথে যোগাযোগ করলে তিনি সিপ্লাসকে জানান, টেলিফোনে সংবাদ পেয়ে আমাদের টিম ঘটনাস্থলে গিয়েছে৷ এই বিষয়ে অভিযোগ পাওয়ার সাথে সাথেই আমরা মালামাল উদ্ধারে কাজ শুরু করবো৷ চুরির সাথে ভেতর বাহিরের পরিচিত কেউ জড়িত আছে কিনা সেই বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছেন ওসি আবুল কাশেম৷