পর্যটকের নিরাপত্তায় কাজ করছে ট্যুরিস্ট পুলিশ

ছবি: সংগৃহীত
CPLUSTV
CTG NEWS
CPLUSTV
শেয়ার করুন

সিপ্লাস ডেস্ক: সুন্দরবনে পর্যটকদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষায় কাজ করছে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড এবং ট্যুরিস্ট পুলিশ। এ বনে আসা পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে কাজ করতে হবে। এখন সুন্দরবনে আর বনদস্যু নেই।

ভ্রমণে আসা পর্যটকদের পরিচয়পত্র ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ করা হবে। সেই সঙ্গে ট্যুর পরিচালনায় সম্পৃক্ত সবার তথ্য সংগ্রহ করা হবে। পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তার বিষয়টিকে সামনে রেখেই এ কাজ করা হচ্ছে।

রোববার খুলনার সিএসএস আভা সেন্টারে ‘সুন্দরবনকেন্দ্রিক পর্যটন নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে আমাদের করণীয়’ শীর্ষক কর্মশালায় এসব তথ্য জানানো হয়।

বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড এবং ট্যুরিস্ট পুলিশ খুলনা অঞ্চল এ আয়োজন করে। ট্যুরিস্ট পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ইব্রাহিম খলিলের সভাপতিত্বে কর্মশালায় অনলাইনে যুক্ত থেকে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবু তাহের মুহাম্মদ জাবের।

কর্মশালায় ট্যুর অপারেটররা বলেন, সুন্দরবনের রাসমেলা ঐতিহ্যবাহী উৎসব। চার বছর ধরে পর্যটকরা এ উৎসবে যেতে পারছেন না। অথচ জেলে ও পুণ্যার্থীরা যাচ্ছেন। তাহলে পর্যটকদের যেতে সমস্যা কী? তাঁরা পর্যটকদের জন্য রাস উৎসব উন্মুক্ত করার দাবি জানান।

অনুষ্ঠানে অনলাইনে যুক্ত থেকে বিশেষ অতিথি ছিলেন ট্যুরিস্ট পুলিশের ডিআইজি ইলিয়াছ শরীফ। বিশেষ বক্তা ছিলেন সাংবাদিক মোহসীন উল হাকিম, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফরেস্ট্রি অ্যান্ড উড টেকনোলজি ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক ওয়াসিউল ইসলাম ও ডিজিটাল ট্র্যাকিং ডিভাইস কোম্পানি জাহাজী লিমিটেডের কো-ফাউন্ডার কাজল আব্দুল্লাহ।

মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাইমেনুর রহমান। বক্তব্য দেন বিআইডব্লিউটিএর যুগ্ম পরিচালক আশরাফ হোসেন, ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অব সুন্দরবনের সভাপতি মঈনুল ইসলাম জমাদ্দার, সাধারণ সম্পাদক নাজমুল আলম ডেভিড প্রমুখ।

কর্মশালায় পর্যটন নিরাপত্তা নিশ্চিতে পর্যটক পরিবহন করা নৌযানগুলোতে ডিজিটাল ট্র্যাকিং ডিভাইস স্থাপন, নৌযানের নিরাপত্তায় আধুনিক নেভিগেশনাল প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি, নৌযান ও ট্যুর পরিচালনাকারী কর্মচারীদের জাতীয় পরিচয়পত্র ও বিস্তারিত তথ্যের ভিত্তিতে পৃথক ডাটাবেজ তৈরির সিদ্ধান্ত হয়।