পটিয়ার জঙ্গলখাইনে সামাজিক সম্প্রীতি সভা অনুষ্ঠিত

পটিয়ার জঙ্গলখাইনে সামাজিক সম্প্রীতি সভা অনুষ্ঠিত।
CPLUSTV
CTG NEWS
CPLUSTV
শেয়ার করুন

পটিয়া প্রতিনিধি:  পটিয়ার জঙ্গল খাইন ইউনিয়নে সামাজিক-সম্প্রীতি কমিটির সভা ও আসন্ন শারদীয় দূর্গাপূজা উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার বিকেলে জঙ্গল খাইন ইউনিয়ন পরিষদের আয়োজনে পরিষদের অডিটোরিয়ামে এই সামাজিক-সম্প্রীতি কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়।

জঙ্গল খাইন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাহাদাত হোসেন সবুজের সভাপতিত্বে ও সচিব নয়ন ভট্রাচার্যের সঞ্চালনায় এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরী, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আতিকুল মামুন, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি অসিত কান্তি বড়ুয়া, সাধারণ সম্পাদক মর্তুজা কামাল মুন্সি, উপজেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক শাহেদ উদ্দিন সুমন, উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক যদু রঞ্জন চৌধুরী, হিন্দু বৌদ্ধ খৃস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক তাপস কুমার দে, ঊনাইন পুরা লংকারাম বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ বৌধি মিত্র মহাথেরো, নাইখাইন সন্তোষালয় বিহারের অধ্যক্ষ জিনপ্রিয় মহাথেরো, মুক্তিযোদ্ধা নুর মোহাম্মদ, মুক্তিযোদ্ধা আবু তৈয়ব চৌধুরী, স্বামী পরিতোষ নন্দগিরি মহারাজ, উদয়ন বড়ুয়া, পটিয়া থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক এরশাদ দৌলা, পার্থ সারথি সাহা, মো. ইসমাইল, মো. ইসহাক, মহিউদ্দিন জসিম।

অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- ইউপি সদস্য রফিকুল ইসলাম, মো. হাসান, গাজী মো. বখতিয়ার উদ্দিন বকুল, তাহসিনা আকতার, আবুল হাসান, রুমেন বড়ুয়া, আনন্দ দাশ প্রমুখ।

এছাড়াও সমাজের আলেম ওলামা, সনাতনীধর্মের সাধু-পুরোহিত,বৌদ্ধ ধর্মের ভ্রান্তে সহ বীর মুক্তিযোদ্ধা, সকল জনপ্রতিনিধি, পেশাজীবি,ছাত্র, যুব এবং রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, সামাজিক সম্প্রীতি কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় বক্তারা বলেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি হলো নানা সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যকার সম্প্রীতি ও ভালোবাসা। আমাদের সমাজে বহু ধর্ম, ভাষা ও জাতির লোক বসবাস করে। সমাজে বসবাসরত সব সম্প্রদায়ের মধ্যে পরস্পর ঐক্য, সংহতি ও সহযোগিতার মনোভাব হলো সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি। সম্প্রীতি- ভাতৃত্ববোধ না থাকলে মানুষ একে অন্যকে ভালবাসে না। অন্যের কল্যাণ কামনা করে না। স্বীয় স্বার্থ হাসিলের জন্য অন্যের প্রতি অন্যায়, অত্যাচার ও নির্যাতন করতেও দ্বিধাবোধ করে না। ভাতৃত্ববোধ ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি না থাকলে কোন জাতি উন্নতি করতে পারে না। ভাতৃত্ববোধ মানুষকে ত্যাগের মহিমায় উজ্জীবিত করে, মানুষের মধ্যে সহযোগিতা, সহমর্মিতা ইত্যাদি গুণের বিকাশ ঘটায়। এরফলে মানব সমাজের ঐক্য শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা হয়।