নগরীতে ১২ হাসপাতাল-ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ

ছবি: সংগৃহীত
CPLUSTV
CTG NEWS
CPLUSTV
শেয়ার করুন

নিজস্ব প্রতিবেদক: লাইসেন্স না থাকাসহ নানা অভিযোগে চট্টগ্রামে ১২টি বেসরকারি হাসপাতাল-ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ করে দিয়েছে প্রশাসন। এর মধ্যে চট্টগ্রাম মহানগরীর পাঁচলাইশ আবাসিকের মিরর হাসপাতালের কার্যক্রম পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন মো. ইলিয়াস চৌধুরী।

মঙ্গলবার (৩০ আগস্ট) সকাল থেকে চট্টগ্রাম মহানগরীতে সিভিল সার্জন মো. ইলিয়াস চৌধুরী ও উপজেলাগুলোতে স্থানীয় উপজেলা প্রশাসন অভিযান পরিচালনা করেন।

সকাল থেকে মহানগরীর পাঁচলাইশের পিপলস হাসপাতাল লিমিটেড, ঈগলস আই ডায়াগনস্টিক, মিরর হাসপাতাল, সার্জিস্কোপ হাসপাতাল লিমিটেড এবং কেবি ফজলুল কাদের রোডের ফ্যামিলি হেলথ কেয়ারে অভিযান পরিচালনা করেন।

এসময় জরুরি বিভাগ না থাকা, অপারেশন থিয়েটারে নোংরা পরিবেশ, ইনজেকশন মেয়াদোত্তীর্ণ থাকা, মূল্য তালিকা না থাকায় মিরর হাসপাতালের কার্যক্রম পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ রাখতে বলেন সিভিল সার্জন।

অন্যদিকে অপারেশন থিয়েটারে নোংরা পরিবেশ, মূল্য তালিকা না থাকাসহ নানা অভিযোগে পিপলস হাসপাতাল লিমিটেডকে ১০ দিনের সময় বেঁধে দেওয়া হয়। এ ১০ দিন হাসপাতালের ওটি কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন। অন্যথায় হাসপাতালের কার্যক্রম বন্ধ করা হবে জানান সিভিল সার্জন ডা. ইলিয়াস চৌধুরী।

এদিকে মঙ্গলবার চট্টগ্রাম মহানগরীসহ ১৫ উপজেলায় ৫৩টি স্বাস্থ্য সেবা প্রতিষ্ঠানে অভিযানে পরিচালনা করা হয়। এর মধ্যে নানা অভিযোগে ১২টি হাসপাতাল, ক্লিনিক এবং ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়। এর মধ্যে মহানগরীতে একটি ছাড়াও বোয়ালখালীতে একটি, লোহাগাড়ায় তিনটি, আনোয়ারায় দুটি, রাঙ্গুনিয়ায় একটি, বাঁশখালীতে একটি, মিরসরাইয়ে তিনটি প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হয়।

চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ইলিয়াস চৌধুরী বলেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনা মোতাবেক মঙ্গলবারসহ গত দুইদিন চট্টগ্রামে অভিযান পরিচলনা করা হয়েছে। অপারেশন থিয়েটার না থাকা, নোংরা পরিবেশের কারণে মিরর হসপিটালের কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার নগরীতে ৫টি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার পরিদর্শন করেছি। এ ধরনের অভিযান আরও দুইদিন অব্যাহত থাকবে।