দেশ মাংস উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ

CPLUSTV
CTG NEWS
CPLUSTV
শেয়ার করুন

বর্তমানে বাংলাদেশ মাংস উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ বলে জানিয়েছে প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়। একাদশ জাতীয় সংসদের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সপ্তম বৈঠকে এ তথ্য জানানো হয়।

বৈঠকে প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় জানায়, বর্তমানে বাংলাদেশ মাংস উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ ও বিগত এক দশকে দেশে মাংস উৎপাদন প্রায় ৫ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। দেশে দুধ উৎপাদন হচ্ছে চাহিদার ৬৫.৩ শতাংশ ও বিগত এক দশকে দুধ উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে প্রায় ৩.২ গুণ এবং ডিম উৎপাদন হচ্ছে চাহিদার ৯৮.৭ শতাংশ ও বিগত এক দশকে ডিম উৎপাদন প্রায় ২ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আরো জানানো হয়, বর্তমানে দেশব্যাপী ৩ হাজার ৯৯৮টি কৃত্রিম প্রজনন উপকেন্দ্র ও পয়েন্টের মাধ্যমে কৃত্রিম প্রজনন সম্প্রসারণ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। যার ফলে ১০-২০ লিটার দুধ উৎপাদনে সক্ষম সংকর জাতের গাভী, দেশীয় গরুর তুলনায় ৩-৪ গুণ বেশি মাংস উৎপাদনে সক্ষম সংকর জাতের ষাঁড় এবং “বীফ ক্যাটেল উন্নয়ন” প্রকল্পের মাধ্যমে ব্রাহামা জাতের ষাঁড় বাছুর উৎপাদিত হচ্ছে।

২০১৮-১৯ অর্থবছরে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তির আওতায় প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর ১০০ মানের মধ্যে ৯৭.৭৪ মান অর্জন করেছে। উন্নয়ন ও বিপুল কর্মযজ্ঞের এ ধারা অব্যাহত রাখতে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও সদস্যরা সকলকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।

বিভিন্ন কোম্পানি কর্তৃক প্রস্তুতকৃত ভেটেরিনারি ভ্যাক্সিন ও ঔষধসমূহের গুণগত মান বজায় রাখার ব্যাপারে নজরদারি ও তৎপরতা বাড়াতে মন্ত্রণালয়কে পরামর্শ প্রদান করেন কমিটির সভাপতি ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু।

বাংলাদেশ পশুসম্পদ ক্যাডার বহির্ভূত কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি কর্তৃক উত্থাপিত প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের জন্য সাংগঠনিক কাঠামো পুনর্গঠনের লক্ষ্যে রাজস্ব খাতে পদ সৃজনের সুপারিশ বাস্তবায়ন প্রসঙ্গে আলোচনা হয় আজকের বৈঠকে।

কমিটির সভাপতি ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে কমিটির সদস্য মো. আশরাফ আলী খান খসরু, বেগম নাজমা আকতার, মোছা. শামীমা আক্তার খানম অংশগ্রহণ করেন।

এছাড়াও বৈঠকে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব ও অন্যান্য কর্মকর্তা, বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইন্সটিটিউটের মহাপরিচালক, মেরিন ফিশারিজ একাডেমির অধ্যক্ষ ও বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।