দুই সহযোগীসহ ফের রিমান্ডে জুয়ার কারবারি সেলিম

CPLUSTV
CTG NEWS
CPLUSTV
শেয়ার করুন

রোববার ঢাকা মহানগর হাকিম সাদবীর ইয়াছির আহসান চৌধুরী তাদের পাঁচ দিনের হেফাজত মঞ্জুর করেন বলে আদালতে সংশ্লিষ্ট থানার সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা শেখ রকিবুর রহমান জানিয়েছেন।

সেলিমের দুই সহযোগী হলেন- আক্তারুজ্জামান ও রোমান।

রকিবুর  বলেন, মুদ্রাপাচার প্রতিরোধ আইনের মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাদের ১০ দিনের রিমান্ড চাওয়া হয়। অন্যদিকে সেলিম ও রোমানের পক্ষে আইনজীবী ইয়াসিন জাহান (নিসান ভূঁইয়া) ও আক্তারুজ্জামানের পক্ষে মো. নজরুল ইসলাম মামুন রিমান্ড বাতিল চেয়ে প্রয়োজনে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন করেন।

উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত আসামিদের পাঁচ দিনের রিমান্ডের আদেশ দেন যা সাত কার্যদিবসের মধ্যে শেষ করতে বলা হয়েছে।

এদিন সেলিমসহ তিনজনকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। প্রথমে মুদ্রাপাচার প্রতিরোধ আইনের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করে আদালত। পরে রিমান্ড বিষয়ে শুনানি হয়।

৬ অক্টোবর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির পুলিশ পরিদর্শক শহিদুল ইসলাম খান এই তিনজনকে গ্রেপ্তার দেখানোসহ রিমান্ড আবেদন করেন। ওই দিন আদালত রিমান্ড শুনানির জন্য রোববার দিন ধার্য করে দেন।

গত ৩০ সেপ্টেম্বর দুপুরে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সেলিম প্রধানকে আটক করে র‌্যাব-১। এরপর তার গুলশান, বনানীর বাসা ও অফিসে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে ২৯ লাখ টাকা, বিপুল পরিমাণ বিদেশি মদ ও বিভিন্ন দেশের মুদ্রা জব্দ করা হয়।

সেখান থেকে সাতটি ল্যাপটপ ও দুটি হরিণের চামড়া জব্দ করার পাশাপাশি সেলিমের কর্মচারী আক্তারুজ্জামান ও রোকনকে গ্রেপ্তার করা হয়। হরিণের চামড়া উদ্ধারের ঘটনায় ওই দিনই সেলিম প্রধানকে বন্য প্রাণী সংরক্ষণ আইনে ৬ মাসের কারাদণ্ড দেয় ভ্রাম্যমাণ আদালত।

পরদিন অক্টোবর গুলশান থানায় তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ ও মুদ্রাপাজার প্রতিরোধ আইনে দুটি মামলা করে র‌্যাব। সেদিনই মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় তাদের চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে বিচারক।

মঙ্গলবার এ মামলায় রিমান্ড শেষে আসামিদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন বিচারক।