দুই প্রবাসী বন্ড বিক্রিতে শর্ত শিথিল

ছবি- সংগৃহীত
CPLUSTV
CTG NEWS
CPLUSTV
শেয়ার করুন

সিপ্লাস ডেস্ক:  ইউএস ডলার প্রিমিয়াম বন্ড ও ইউএস ডলার ইনভেস্টমেন্ট বন্ডে বিনিয়োগে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) জমা দেওয়ার বাধ্যবাধকতা তুলে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কারও এনআইডি না থাকলে এখন থেকে পাসপোর্ট নম্বরকে ‘ইউনিক আইডেন্টিফিকেশন নম্বর’ হিসেবে ব্যবহার করা যাবে। গতকাল অর্থ মন্ত্রণালয়ের এ সংক্রান্ত নির্দেশনা ব্যাংকগুলোয় পাঠানো হয়েছে।

সংশ্নিষ্টরা জানান, ডলার সংকট কাটিয়ে উঠতে সাম্প্রতিক সময়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিনিয়োগ সহজ করলেও বাংলাদেশে কিছু শর্ত আরোপ করা হয়। এর প্রভাবে বন্ডে বিনিয়োগ কমছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে প্রবাসী বন্ডের নিট বিক্রি কমেছে ২১৪ কোটি টাকার সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রার।

জুলাই-আগস্টে ২০৭ কোটি টাকার প্রবাসী বন্ড বিক্রি হয়েছে। অথচ ভাঙানো হয়েছে ৪২১ কোটি টাকা।

গত বছরের ১৭ নভেম্বরের এক নির্দেশনার মাধ্যমে বন্ড কিনতে পাসপোর্টের পাশাপাশি এনআইডির বাধ্যবাধকতা আরোপ করা হয়। তবে অনেক প্রবাসীর এনআইডি না থাকায় তাঁরা ইউএস ডলার প্রিমিয়াম ও ইউএস ডলার ইনভেস্টমেন্ট বন্ডে বিনিয়োগ করতে পারছেন না। আবার বৈশ্বিকভাবে সুদহার বাড়লেও গত এপ্রিলে প্রবাসী বন্ডে সুদ কমিয়েছে সরকার। এ ছাড়া ওয়েজ আর্নার ডেভেলপমেন্ট বন্ড ও দুই ইউএস ডলার বন্ডের সম্মিলিত বিনিয়োগ সীমা নির্ধারণ করা হয় এক কোটি টাকা। অবশ্য পরবর্তী সময়ে গত এপ্রিলের এক নির্দেশনার মাধ্যমে ইউএস ডলার ইনভেস্টমেন্ট ও ইউএস ডলার প্রিমিয়াম বন্ডের বিনিয়োগের ঊর্ধ্বসীমা তুলে নেওয়া হয়। তবে তুলনামূলক বেশি সুদের ওয়েজ আর্নার ডেভেলপমেন্ট বন্ডে এক কোটি টাকার বিনিয়োগ সীমা বহাল রয়েছে।
সংশ্নিষ্টরা মনে করেন, ডলার সংকটের

মধ্যে গত এপ্রিলে বিদ্যমান তিন ধরনের প্রবাসী বন্ডে সুদহার কমানোর বিষয়টি সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সমন্বয়হীনতার প্রতিফলন। কেননা, ডলারের চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমছে। আবার ডলারের দর অনেক বেড়ে এখন আমদানি দায় নিষ্পত্তিতে অনেক বেশি ব্যয় করতে হচ্ছে।