দুইটি কিডনিই বিকল জেদ্দা প্রবাসী নুরুল ইসলামের

রেমিট্যান্স যোদ্ধা নুরুল ইসলাম
CPLUSTV
CTG NEWS
CPLUSTV
শেয়ার করুন

সৌদি আরব প্রতিনিধি: সবার কাছে সাহায্যের আবেদন জানিয়েছেন অসুস্থ  রেমিট্যান্স যোদ্ধা নুরুল ইসলাম।

আজ থেকে ১৩ বছর আগেই জীবিকার তাগিদে পাড়ি দেন মধ্যপ্রচ্যের দেশ সৌদি আরবে।

স্বপ্ন পুরণে শুরু করেন কর্মজীবন, প্রায় ৭/৮ বছর দেশ ও বিদেশে বেশ ভাল দিন কাটেন।বিদেশ  হাঠাৎ একদিন অসুস্থ হয়ে পড়েন। ভর্তি হন হাসপাতালে। সামান্য সুস্থ হয়ে বাসায় ফিরেন নুরুল ইসলাম। পরে শরীরের বিভিন্ন পরীক্ষা  করে দেখা দেয় কিডনি সমস্যা। বর্তমানে বাসার বিছানায় পড়ে থাকা জেদ্দা প্রবাসী এ রেমিট্যান্স যোদ্ধা বাংলাদেশ জেদ্দা কনসুলেটসহ সবার কাছে সাহায্যের আবেদন জানিয়েছেন।

রেমিটেন্সযোদ্ধা নুরুল ইসলাম। রামুর ঈদগড়ের পানিস্যাঘোনার মৃত নুর আহমদের ছেলে। সাংসারিক জীবনে ১ মেয়ে সন্তানের জনক। সৌদি আরবের জেদ্দায় ক্ষুদ্র ব্যবসার অল্প টাকায় সংসারের ঘানি টেনে যাচ্ছিলেন। সংসার জীবনটা চলছিল কোনমতে।

ভাগ্যের নির্মম পরিহাস, নুরুল ইসলামের দুইটি কিডনির ৯৩ শতাংশই এখন বিকল। খবরটি যেন গরীবের মাথায় আকাশ ভেঙে পড়া! সদ্য গড়া নতুন সংসারে বেজে ওঠলো অশনি সংকেত। সংসারের অভাব মেটাতে প্রবাসে গিয়ে এখন নিজের পুরো জীবনটাই অভাবে ছেয়ে গেছে। টগবগে যুবকটির চোখেমুখে কেবল অন্ধকার। কালো মেঘের ঘনঘটা।

বিছানায় শুয়ে প্রবাস জীবন কাটছে তার। দেশে ফিরে চিকিৎসা করার সম্বলও নাই। সৌদিতে একটি মানবিক সংস্থার সহায়তায় প্রতি সপ্তাহে ৩বার কিডনির ডায়ালসিস চলছে। এভাবে কোনভাবে বেঁচে আছেন ভাইটি।

চিকিৎসকের ভাষ্য মতে, তাকে বাঁচিয়ে রাখতে “কিডনি প্রতিস্থাপনই” একমাত্র সমাধান। যার জন্য দরকার অন্তত ৩০ লক্ষ টাকা। ক্ষুদ্র আয়ের মানুষটির পক্ষে যা কেবল কল্পনা।

পবিত্র ওমরাহ পালনে ইমাম খাইয়া জানান, দেশ থেকে ওমরাহ করতে এসে শুনে জেদ্দায় দেখতে এসেছি অসুস্থ প্রবাসী নুরুল ইসলামকে।  মানবিক ব্যক্তিদের কিডনি প্রদানে এগিয়ে আসার অনুরোধ জানাচ্ছি।

সাহায্য সংস্থা, ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সহায়তা পেলে বেঁচে যেতে পারে একজন রেমিটেন্সযোদ্ধার জীবন। আমি অসুস্থতার খবরে শুক্রবার রাতে নুরুল ইসলামকে জেদ্দার বাসায় দেখতে যাই।

এ সময় নিজেকে খুব অসহায় মনে হলো। আল্লাহ প্রিয় ভাইয়ের চিকিৎসার দরজা উন্মুক্ত করে দিন। পূর্ণ সুস্থতা দিন।