টানা দ্বিতীয়বারের মতো কমলো মূল্যস্ফীতি

ছবি: সংগৃহীত
CPLUSTV
CTG NEWS
CPLUSTV
শেয়ার করুন

সিপ্লাস ডেস্ক: দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি এবং জ্বালানি মূল্যের রেকর্ড বৃদ্ধির কারণে আগস্ট মাসে বাংলাদেশের মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৯.৫ শতাংশে পৌঁছে। এরপর সেপ্টেম্বরে তা কমে দাঁড়ায় ৯.১ শতাংশে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্য উদ্ধৃত করে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান জানিয়েছেন, অক্টোবরে দেশের মূল্যস্ফীতি কমে ৮.৯১ শতাংশে এসে নেমেছে। সেপ্টেম্বরে মূল্যস্ফীতি ছিল ৯.১০ শতাংশ।

মঙ্গলবার (৮ নভেম্বর) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় মূল্যস্ফীতির এ তথ্য তুলে ধরেন পরিকল্পনামন্ত্রী।

দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি এবং জ্বালানি মূল্যের রেকর্ড বৃদ্ধির কারণে আগস্ট মাসে বাংলাদেশের মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৯.৫ শতাংশে পৌঁছে। এরপর সেপ্টেম্বরে তা কমে দাঁড়ায় ৯.১ শতাংশে।

বিবিএসের তথ্য অনুযায়ী, ১৯৯৫-৯৬-কে ভিত্তি বছর হিসাব করে ২০১১ সালের সেপ্টেম্বরে ১১.৯৭ শতাংশ মূল্যস্ফীতি রেকর্ড করা হয়। এ হিসাব অনুযায়ী, গত ২০ বছরের মধ্যে ১১.৯৭ শতাংশ মূল্যস্ফীতি ছিল সর্বোচ্চ।

পরবর্তীতে ২০০৫-০৬ কে ভিত্তি বছর হিসেবে ধার্য করা হয়। নতুন ভিত্তি বছরের হিসাব অনুযায়ী, ২০১০-১১ অর্থবছরের গড় মূল্যস্ফীতি দাঁড়ায় ১০.৯১ শতাংশে।

তারপর থেকে কোনো মাসে পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট মূল্যস্ফীতি ৯ শতাংশ ছাড়িয়ে যায়নি। সে হিসেবে আগস্ট ও সেপ্টেম্বরে মূল্যস্ফীতি গত ১১ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ।

একনেক বৈঠক শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান সাংবাদিকদের বলেন, “প্রকল্প বাছাই ও অনুমোদনের ক্ষেত্রে আমাদের বৈষম্যমূলক ও সতর্ক হতে হবে। তবে আমরা ছোট প্রকল্প, গ্রামীণ প্রকল্প, উন্নয়ন প্রকল্পের ক্ষেত্রে আপস করব না। শুধুমাত্র বড় প্রকল্পের ক্ষেত্রে আমাদের সতর্ক হতে হবে এবং গবেষণা করতে হবে।”

মন্ত্রী বলেন, “প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়েছিলেন যে শুধু অপচয় এড়ালে চলবে না, মিতব্যয়ী হতে হবে। জীবনের সর্বস্তরে বিলাসিতা পরিহার করতে হবে।”

“কৃষিকে আরও বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। যে কোনো ধরনের খাদ্য উৎপাদন করতে হবে। আমাদেরকে স্বাবলম্বী হতে হবে যাতে কোনো সংকটের সময় আমরা অন্তত নিজের খাদ্য গ্রহণ করে বেঁচে থাকতে পারি,” যোগ করেন তিনি।

কোনো জমি অনাবাদি আছে কিনা তা দেখতে প্রধানমন্ত্রী জেলা প্রশাসকদের তাদের নিজ নিজ এখতিয়ারের এলাকা পরিদর্শন করার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন।

মন্ত্রী বলেন, “আমরা মানুষকে ফসল উৎপাদনে বাধ্য করতে পারি না, তবে আমরা তাদের অনুপ্রাণিত করতে পারি এবং তাদের যে কোনো ধরনের সাহায্যের জন্য হাত বাড়িয়ে দিতে পারি।”