জি কে শামীমকে দুই মামলায় ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

CPLUSTV
CTG NEWS
CPLUSTV
শেয়ার করুন

যুবলীগ নেতা এসএম গোলাম কিবরিয়া শামীম ওরফে জি কে শামীমকে দুই মামলায় ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত। শনিবার (২১ সেপ্টেম্বর) ঢাকার সিএমএম আদালতের বিচারক মাহমুদা আক্তার শুনানি শেষে এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

রিমান্ড পাওয়া অন্যরা হলেন- দেলোয়ার হোসেন, মুরাদ হোসেন, জাহিদুল ইসলাম, শহীদুল ইসলাম, কামাল হোসেন, সামসাদ হোসেন এবং আমিনুল ইসলাম। তারা সবাই জি কে শামীমের দেহরক্ষী হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

এর আগে সন্ধ্যায় আদালতে হাজির করে দুই মামলায় সাতদিন করে শামীমকে মোট ১৪ দিনের রিমান্ডে নেয়ার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক আমিনুল ইসলাম। এ সময় তার সাত দেহরক্ষীও ছিলেন।

তবে শুনানি নিয়ে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদা আক্তার মাদক ও অস্ত্র মামলায় ৫ দিন করে মোট ১০দিন রিমান্ড মঞ্জুর করেন। আর অস্ত্র মামলায় শামীমের দেহরক্ষী সাতজনের প্রত্যেককে ৪দিন করে রিমান্ড দেয়া হয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষে মামলার শুনানি করেন বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর আজাদ রহমান।

তিনি বলেন, দুই মামলার রিমান্ড কার্যকর হবে আলাদাভাবে। অর্থাৎ একটা মামলার রিমান্ড শেষ হওয়ার পর আরেকটি শুরু হবে।

এদিকে, জি কে শামীমের বিরুদ্ধে গুলশান থানায় হওয়া মানিলন্ডারিং আইনের মামলাটি তদন্ত করবে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। তাই ওই মামলায় এখনও গ্রেফতার দেখানো হয়নি তাকে।

এ সময় তাদের ছবি তুলতে গেলে দৈনিক ভোরের কাগজ ও সারা বাংলা ডট নেটের ফটো সাংবাদিকের ওপর হামলা করে শামীমের লোকজন।

এর আগে শামীমের বিরুদ্ধে ৩টি মামলা দায়ের করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।

দুপুরে গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুজ্জামান বলেন, শামীদের বিরুদ্ধে র‌্যাব তিনটি অভিযোগ দিয়েছে তারা। একটি মাদক আইন, একটি মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন এবং আরেকটি অস্ত্র আইন। দুপুরে জি কে শামীম ও তার সাত দেহরক্ষীকে গুলশান থানায় হস্তান্তর করেন র‌্যাব সদস্যরা। এসব মামলার আসামি হিসেবে জি কে শামীমসহ তাদের সবার রিমান্ড চাওয়া হয় বলেও জানান ওসি।