চসিক নির্বাচন: কোন পদেই জয় পেলোনা বিএনপির প্রার্থীরা

CPLUSTV
CTG NEWS
CPLUSTV
শেয়ার করুন

সিপ্লাস প্রতিবেদক: চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের গতবারের নির্বাচনে বিএনপি-জামায়াত সমর্থিত ৫ সাধারণ কাউন্সিলর প্রার্থী ও ৩ সংরক্ষিত ওয়ার্ডের নারী কাউন্সিলর জয় লাভ করলেও এবারের নির্বাচনে মেয়রসহ কোন পদেই জিততে পারেনি বিএনপির প্রার্থীরা।

বুধবার(২৭জানুয়ারী) অনুষ্ঠিত হয়ে গেল চট্টগ্রাম সিটি কর্পেোরেশনের নির্বাচন।

এই শোচনীয় পরাজয়ের জন্য আওয়ামী লীগ ও পুলিশকে দায়ী করছে বিএনপি। তবে বিএনপি কর্মীরাই বলছে নির্বাচনের সময় তাদের নেতাদের মধ্যে বিভক্তির কারনেই এই নির্বাচনে নির্মম পরাজয়।

এবার আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী ছিলেন রেজাউল করিম। তিনি বিএনপির মেয়র প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেনকে তিন লাখেরও বেশী ভোটে পরাজিত করেন।

কিন্তু সাধারণ ও সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে আওয়ামী লীগের একাধিক বিদ্রোহী প্রার্থী থাকলেও বিএনপি ছিল নির্ভার। দুটি ওয়ার্ডে বিএনপির দুজন বিদ্রোহী প্রার্থী ছিল। কিন্তু কোন ওয়ার্ডেই জিততে পারেন নি বিএনপির কাউন্সিলর প্রার্থীরা।

দুঃখজনক হলেও সত্য যে নগরীর বেশীর ভাগ কেন্দ্রেই নির্বাচন চলাকালে বিএনপির নেতা আর প্রার্থীদের দেখা মেলেনি। বিএনপি আওয়ামী লীগ ও পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ করলেও কেন্দ্রে নেতা ও প্রার্থীদের অনুপস্থিতি বিএনপির পরাজয়ের কারণ হিসাবে দেখছেন ভোটাররা।

শোচনীয় হারের পর বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীরা ফলাফল প্রত্যাখ্যান করেছেন। তারা অভিযোগ করছেন, ‘ভোটারদের ভোট কেন্দ্রে যেতে দেওয়া হয়নি। আওয়ামী লীগ সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থীরা গত রাত থেকেই পাড়া মহল্লায় ভোট ডাকাতির মহড়া দিয়েছে। ভোটাররা যেন কেন্দ্রে না আসে, তার জন্য সবকিছুই করেছেন তারা।’

এবারের নির্বাচনে সাধারণ কাউন্সিলর পদে ১৭১ জন এবং সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদের ৫৭ জন প্রতিন্দ্বন্দ্বিতা করেছেন। তবে ৪১ টি সাধারণ ওয়ার্ডের বিপরীতে ভোটারদের সরাসরি ভোটে কাউন্সিলর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে ৩৯টি ওয়ার্ডে। এর আগে কাউন্সিলর প্রার্থী তারেক সোলেমান সেলিমের মৃত্যুতে স্থগিত হয়েছে ৩১ নং আলকরণ ওয়ার্ডের নির্বাচন এবং বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছিলেন ১৮ নম্বর ওয়ার্ডে।

অন্যদিকে ৩৯টি সাধারণ ওয়ার্ডের মধ্যে আওয়ামীলীগ সমর্থিত প্রার্থী জিতেছে ৩৩টি ওয়ার্ডে। আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী বাকি জিতেছে ৬টি ওয়ার্ডে এবং ১৪টি সংরক্ষিত মহিলা ওয়ার্ডের সবকটিতেই নিরঙ্কুশ বিজয় লাভ করেছে আওয়ামী লীগের নারী কাউন্সিলররা।