চলতি মাসেই বাংলাদেশ থেকে কর্মী নেবে মালয়েশিয়া

ছবি: সংগৃহীত
CPLUSTV
CTG NEWS
CPLUSTV
শেয়ার করুন

সিপ্লাস ডেস্ক: চলতি মাসেই বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়া কর্মী নেবে। মালয়েশিয়ার মানবসম্পদমন্ত্রী এম সারাভানান এর সঙ্গে আলোচনা শেষে এ তথ্য নিশ্চিত করেন প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী ইমরান আহমদ।

প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী জানান, পাঁচ বছরে ৫ লাখ কর্মী নিবে, তবে চলতি বছরেই দুই লাখ কর্মী নিতে চায় মালয়েশিয়া সরকার।

তিনি জানান, বাংলাদেশ থেকে ১৫২০ বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সি নামের তালিকা পাঠানো হয়েছে তবে এজেন্সি নির্ধারণের এখতিয়ার সম্পূর্ণ মালয়েশিয়া সরকারের। এর আগে, প্রায় তিন বছর বন্ধ থাকা মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার চালু করতে গেলো বছরের ডিসেম্বরে সমঝোতা সই হয় দুপক্ষের মধ্যে। কিন্তু নির্দিষ্ট ২৫টি এজেন্সির মাধ্যমে জনশক্তি নেয়াসহ বিভিন্ন জটিলতায় দেশটিতে কর্মী পাঠানো যায়নি। এমন পরিস্থিতিতে বুধবার রাতে ঢাকা সফরে আসেন মালয়েশিয়ার মানবসম্পদমন্ত্রী।

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক নেয়ার প্রক্রিয়া শিগগিরই চালু হতে পারে বলে বৃহস্পতিবার সকালে জানিয়েছেন ঢাকায় সফররত দেশটির মানবসম্পদমন্ত্রী এম সারাভানান। তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সে-দেশের মন্ত্রিসভা নেবে বলেও জানান তিনি।

প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী ইমরান আহমদের সঙ্গে যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠকের পর তিনি এসব কথা জানান। মালয়েশিয়ার মন্ত্রীর এ সফর এবং বৈঠক নিয়ে আগ্রহী অনেকেই। প্রায় তিন বছর বন্ধ থাকা মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার চালু করতে গেলো বছরের ডিসেম্বরে সমঝোতা সই হয় দুপক্ষের মধ্যে। কিন্তু নির্দিষ্ট ২৫টি এজেন্সির মাধ্যমে জনশক্তি নেয়াসহ বিভিন্ন জটিলতায় দেশটিতে এখনো কর্মী পাঠানো শুরু হয়নি। এমন পরিস্থিতিতে বুধবার রাতে ঢাকা সফরে এসেছেন মালয়েশিয়ার মানবসম্পদমন্ত্রী।

মালয়েশিয়ার মানবসম্পদমন্ত্রী এম সারাভানান জানান, শ্রমবাজার দ্রুত চালু করা উভয় পক্ষের জন্যই জরুরী। কারণ মালয়েশিয়ার যেমন শ্রমিক দরকার তেমনি বাংলাদেশেরও প্রয়োজন জনশক্তি রপ্তানি। সুতরাং এটা খুব শিগগিরি চালু হবে বলে আশা করি। শ্রমিকদের স্বার্থরক্ষায় বাংলাদেশ খুবই সচেতন, যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠকে আমরাও জানিয়েছি মালয়েশিয়ায় শ্রমিকদের বেতন, আবাসসহ কি কি সুযোগ সুবিধা থাকছে। আর ২৫টি এজেন্সির মাধ্যমে জনশক্তি নেয়ার বিষয়টি মালয়েশিয়ার এখতিয়ার। এই সিদ্ধান্ত সাধারণ আমদানিকারক দেশই নিয়ে থাকে।

এর আগে, গত ২৬ মে ঢাকায় এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও ২০ মে মালয়েশিয়ার পক্ষ থেকে তা স্থগিত করা হয়।এরপর সম্ভাব্য তারিখ ৩০ মে বলে জানায় দেশটির মানবসম্পদ মন্ত্রণালয়। পরে সেই তারিখও চূড়ান্ত না করে বৈঠকের তারিখ নির্ধারণ করা হয় ২ জুন।