চবিতে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৪৬তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৪৬তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখছেন চবি’র মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. শিরীণ আখতার।
CPLUSTV
CTG NEWS
CPLUSTV
শেয়ার করুন

সিপ্লাস ডেস্ক:  জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৪৬তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় নজরুল গবেষণা কেন্দ্রের উদ্যোগে ৮ সেপ্টেম্বর ২০২২ বেলা ১১:৩০ টায় চবি কলা ও মানববিদ্যা অনুষদের ২ নং গ্যালারিতে এক আলোচনা সভা ও সংগীতানুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. শিরীণ আখতার ও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চবি মাননীয় উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) প্রফেসর বেনু কুমার দে এবং চবি কলা ও মানববিদ্যা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মাহবুবুল হক।

অনুষ্ঠানে মূখ্য আলোচক ছিলেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহীত উল আলম এবং সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চবি রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর এস এম মনিরুল হাসান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চবি নজরুল গবেষণা কেন্দ্রের পরিচালক প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আনোয়ার সাঈদ। এতে প্রফেসর ড. মোহীত উল আলমের জীবনী পাঠ করেন চবি ইংরেজি বিভাগের সভাপতি প্রফেসর ড. সুকান্ত ভট্টাচার্য। অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন চবি বাংলা বিভাগের সভাপতি প্রফেসর ড. তাসলিমা বেগম। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ টেলিভিশন চট্টগ্রাম কেন্দ্রের উপস্থাপিকা মন্দিরা চৌধুরী।

মাননীয় উপাচার্য তাঁর বক্তৃতার শুরুতে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিনি বলেন, কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন প্রেম, দ্রোহ ও সাম্যের কবি। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যে বিদ্রোহী কবি হিসেবে সমাধিক পরিচিত হলেও তিনি ছিলেন একাধারে কবি, সঙ্গীতজ্ঞ, ঔপান্যাসিক, গল্পকার, নাট্যকার, প্রাবন্ধিক, চলচ্চিত্রকার, গায়ক ও অভিনেতা। সাহিত্যের এমন কোন শাখা নেই যেখানে কাজী নজরুল ইসলাম তাঁর প্রতিভার স্বাক্ষর রাখেননি। তিনি বলেন, কাজী নজরুল ইসলাম বৈচিত্রময় অসংখ্য রাগ-রাগিনী সৃষ্টি করে বাংলা সংগীত জগতকে মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করেছেন। তাঁর রচিত কবিতা, গান, গল্প, উপন্যাস, প্রবন্ধ আমাদের সাহিত্য-সংস্কৃতির ভান্ডারকে করেছে সমৃদ্ধ।

মাননীয় উপাচার্য আরও বলেন, নজরুলের কবিতা ও গান শোষণ-বঞ্চনার বিরুদ্ধে মুক্তি সংগ্রামে বাঙালি জাতিকে উদ্বুদ্ধ করেছে। মহান মুক্তিযুদ্ধে তাঁর গান ও কবিতা ছিল প্রেরণার উৎস। তিনি ছিলেন অসাম্প্রদায়িক চেতনার পথিকৃৎ। এ মহান কবির কবিতা ও গান মানুষকে যুগে যুগে শোষণ ও বঞ্চনা থেকে মুক্তির পথ দেখিয়ে চলেছে। অনুষ্ঠানে সম্মানিত শিক্ষকবৃন্দ, শিক্ষার্থীবৃন্দ এবং সুধীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।